সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

শ্যামল সোম লেবেল থাকা পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

চল পাগলী পালাই

শিরোনাম : চল পাগলী পালাই  কবিঃ        শ্যামল  সোম বাঁশিওয়ালা হেমন্তে গহীন অরণ্যে পিঁউ কাঁহা পাখি ডাকে সুন্দরবনে চলরে পাগলী আজ শীতার্ত রাতেই আজ রাতেই চল পাগলী পালাই আর কত কাল এ নিঃসঙ্গ কাটাই। জাত বয়স ধর্ম বিস্ফারিত স্বদেশ পরবাসে দুজনে দুজনার  প্রবাসে পরস্পরের  থেকে বিছিন্ন প্রয়াসে। সামাজিক কঠোর শাস্তির খড়্গ এ সালিশী সভায় কোন বক্তব্য না শুনেই গণ প্রহার গাছে বেঁধে প্রেমিকের ক্রোধ প্রেমিকাকে গণধর্ষণ, কিসের প্রতিশোধ প্রতিদিনই প্রতিনিয়ত লাঞ্ছিত গ্লানিময় মানবিকতার বিরুদ্ধেই অমানুষদের নিত্য    প্রতিরোধ  অহংকারের হুংকার  আস্ফালন আধুনিক এই শহরের যান্ত্রিক যাপিত জীবন। প্রতিবেশীর নিঃসহায় নিপীড়িত নিঃসঙ্গ স্পৃহা হীন উদাসীন স্বার্থপর  আত্মীয় স্বজন  এ তো জীবনের প্রহসন, মুক্তির আস্বাদন নিজস্ব  আমাদের পরমাণু শক্তির কোপনলে  ধ্বংসের  আগেই চলরে পাগলী সেই গহিন অরণ্যে  হিমালয়ের গুহায় প্রস্তর যুগে ফিরে আরণ্যক জীবন যাপন করতেই চলরে এবার পাগলী পালাই, এতো আমাদের স্বাধিকার লড়াই। চল য...

পাগলা মনটারে তুই বাঁধ

শিরোনাম   পাগলা মনটারে তুই বাঁধ পাগলা মনটারে তুই বাঁধ শ্যামল সোম   মেঘলা দিনে, রইলি পড়ে, ঘরের কোনে একলাই পড়ে, এখন  তুই কাঁদ। বিছিয়ে আছে বিশ্ব জোড়া জালের  মায়ার ফাঁদ। কেঁদে কেঁদে নয়ন জলে, চরণ তাঁর  ধুইয়ে দে-রে, ছেড়ে কামিনী কাঞ্চন,  স্মরণ নে রে প্রভুর চরণ। মনের যত বাসনা ছিল ও -যে কেবল মায়ার রঙিন সঙ্গিন ফানুসের মত আসমানে উড়লি হবে? যখন যেতেই হবে।   তোর দিন ফুরলো, ও মন, এবার সাঙ্গ হলো তোর সকল খেলা বৃথা কাজে সময় গেলো, ঐ অলসতায়, শুয়ে,বসে কাটলো বেলা। এখন এই যাওয়ার বেলায়, করিস কেন ছল, ছল করে তুই একে একে মনের মানুষ খুজতে গেলে,  শহর গ্রামে হেথায় হোথায়, ঘুরে ঘুরে একা একা ফিরলি কত, বিদেশী মুসাফিরের মত।  প্রভুর কৃপায় পেলি মন্ত্র, সেই সে বানী, তাও খোয়ালি, এখন, জ্বলে পুড়ে পোড়া গাছের শরীরে, সকল পাতাই গেছে ঝরে। ফুল ফোঁটে না, পোড়া গাছের ডালে দোল খায় না পাখী, ঐ যে বহিছে নদী, সেই নদীর তীরেই শ্মশান, জ্বলছে চিতা। উড়ছে ছাই, ডাকছে নদী, তুই নদীর ডাকে, শক্ত করে মনকে বেঁধে, ঐ নদীর জলে ডুবে চলরে ভেসে নদীকে ভালোবাসে। পাগলা তোর ঐ লালায়িত লালসা, ভোগের ভাবনায়, দে দে ওর...

ভালোবাসায় প্রেম নেই

শিরোনাম  ভালোবাসায় প্রেম  নেই ভালোবাসায় প্রেম  নেই                                                           শ্যামল সোম আজ  আর কেউ ভালোবাসায় প্রেম খোঁজে  নাকো,  কিংবা কোন  কালেই ভালোবাসায় প্রেম ছিলো নাকো।   মুখে  মুখে শুধু বলে ভালোবাসি। সূর্যোস্তে গোধুলি আলোয় বিপাশার তীরে বসে মৃদু ভাসে  প্রেয়সীর কানে  কানে বলে, " নয়নিকা তোমায় ভালোবেসে ভিখারী হয়েছি আজ আমি; বাড়িয়ে  দেওয়া  দু-হাত ভরে দাও ভালোবাসার চির-চিহ্ন  তোমার রক্তিম  ঠোঁটের উ ষ্ণ চুম্বন, তীব্র দহন,  দংশনের ক্ষত, আমার উতপ্ত শরীর শীতল হোক, তোমার নগ্ন জ্যোতস্না প্লাবিত শরীরের ঘন আলিঙ্গণে। রাতের আকাশের ভীড়ে, শালিমার, নিশার বাগের উদ্যানে বা ঐ ভ্যালি অফ  ফ্লাওয়ার্স  এ ফুলেদের  মাঝে আমি  ঠিক  খুঁজে নেবো তোমায়। এই  বিপাশা নদীর সাঁতরিয়ে পার হয়ে  হর-কী- দুন  এর পথে চড়া...

ফুল ! তুমি ও এক নারী

শিরোনাম    ফুল !  তুমি  ও  এক  নারী                       শ্যামল সোম নারী ফুল হয়ে, ফুঁটছে  হৃদয়  কাননে, কাননের  নানা  গাছে, আহাহা ফুলের কী বাহার ! সেই সব গাছের ফুল ছিঁড়ে এনে, তোর  কামনার  আগুনে সেঁকে, জোছন ভরা আলো করা  রূপে মাতাল হওয়া  গন্ধে, আকুল হয়ে; হারামী  পুরুষ ! তুই প্রেমের মায়া জাল  ফেলে, রঙ্গিন  স্বপ্নের জাল বুনে, ফুলের সারা শরীরে আদরের বন্যায়, বন্য ভয়ঙ্কর তোর কঠিন পৌরুষের আঘাতে আঘাতে, ফুলের মতন নারীর পেলব শরীর থেকে খুবলে খেলি  একে  একে  চোখ  ঠোঁট,  স্তন, নাভীমূল, মাতৃ যোনী;  হায় ! পুরুষ যে দ্বারে তোর জন্ম, ঐ খানেই তোর মরন ! জোয়ান মরোদ গায়ে গতরে খেটে  মানব জমীন  চাষ  করে, সাজানো তোর  বাগানে  শত ফুল বিকশিত  কর, নইলে তুই দোজখের  আগুনে, নরকে  ফুট ন্ত তেলে পুড়বি, ভয়  হয় না তোর ? ওপরওয়ালার  ভয়াবহ  মারে -এডসে  রোগে বা  পক্ষাঘাতে-পঙ্গু...

অন্তর্জ্বলি এ যাত্রায়

শিরোনাম -  অন্তর্জ্বলি   এ যাত্রায় অন্তর্জ্বলি    এ যাত্রায়   কবি -  শ্যামল  সোম অন্তহিন অভিমানে   পুড়ছে মন , সুখ স্মৃতির দহনে   গলছে সুখ ,   নীল বসনা ললনা এই সুখ সায়রে   তোমারিই   আজ ভাসছে মুখ।   এখন এই অলস সকাল   গড়িয়ে ঝরছে   আগুন , বাড়ছে   তাপ ,    সে দিনের   স্পর্শের   গভীরতায়   এই ক্ষণে   এ সন্তারিত   সন্তাপ।   নি র্জনে   একাকী এ সন্তরণে   অতল   জলে   ভাসছে   আমার   শব ,    আনমনা নিঝুম   দুপুরে- ঘুঘু   নিশ্চুপ , থেমে গেছে   পাখীদের. কলরব।   তোমার   শরীরের ঘ্রাণ   এখনও   অম্লান , বহিছে ব্যাকু ল   বাতাসে ,     চুম্বনের    স্বাদ ফেরে   হীমেল হাওয়ায় ,  শীতল   মৃর্ত্যুর ছোঁয়ায়   ভাসে।     পূ র্ণিমায় জ্যো স্নায়   স্নাত সিক্ত বসনে ,  হে প্রেম ! বহুকাল আগে   চলে ,   প্রচ ন্ড ঝরে   ভেঙ্গে গেছ...

আবার ভাব হয়েছে আজ

শিরোনাম -  আবার ভাব হয়েছে আজ আবার ভাব হয়েছে আজ কবি - শ্যামল সোম সেদিনের সেই থমকে থাকা মুহূর্তেই তোমার সঙ্গে আমার হলো অনেক বোঝা পড়া তারপরই আড়ি। কাজে নেইকো মন , হঠাৎ ছেড়ে বাড়ী , আনমনে সেদিন ভোরে একা একাই বেড়িয়ে পড়ি। পায়ে পায়ে--ফাঁকা পথে-  হেঁটে হেঁটে , নদী পেড়িয়ে পৌঁছে যাই শাল পিয়ালের বনে ,  ফলশা রঙের ফুল ফুঁটেছে , ডাকছে দোয়েল , উড়ছে কত রঙের নকশা কাটা রঙিন প্রজাপতি। ফুরিয়ে এলো বেলা , পাতার আড়ালে রাঙা আলো খেলে লুকোচুরি খেলা। পেড়িয়ে এলেম বন এখন অবসন্ন মন , কী আশ্চর্য সামনে যে এক নদী--দৌড়ে নদীর কাছে যাই , নদীর পাড়ে পা ছ ড়িয়ে বসি। অনেক দূরে স্বপ্নের ময়ূরপংখী ভাসে , দলছুট একা পারিযায়ী পাখী ওড়ে ঐ নীল আকাশে , বাতাসে সুগন্ধ ভেসে আসে , জলকন্যাকে দেখি সাঁতরিয়ে চলে , নদীর সবুজ জলে। অমোক টানে নেমে এসেছি জলে-- ডুব দিয়ে খুঁজি তাকে , নাগালে পেয়ে জড়িয়ে ধরে মুখের দিকে তাকিয়ে দেখি , ঘণ আলিঙ্গণে কাঁপছে মেয়ে চোখের পাতা খুলে হাসে , চুম্বনের পর মেয়ের কানের কাছে ফিস ফিসিয়ে বলি , তুমি জলকন্যা নও , আমার বহূকালের ক...

দোহাই তোদের ! মাপ চাইছি

দোহাই তোদের ! মাপ চাইছি শিরোনাম -  দোহাই তোদের ! মাপ চাইছি কবি - শ্যামল   সো ম পাগলী ভালোবাসা কী অত   হিসেব নিকেশ -- করে হয় ? হায়!   শহরের পার্লারে সাজানো মেয়ে - তুই এ ও জানিস না ? ভালোবাসা যখন হয় তখন তা আপনি হয় , ভালোবাসা এলে ; বলছি ! মন দিয়ে শোন , প্রথম ভোরের আলোয় , সে দিন ১৯৬৭সাল ১৭ই জানুয়ারী শীতের কুয়াশায় ঘেরা-- বেতলার জঞ্জলে শীরিষ গাছের আড়াল থেকে আমার আদরের ফুলমনিকে মনে মনে বলি , " তুর কুচ কালো রূপের কী বাহার! আহহা ! ফুলমনি তুর ডাগর চোখের চোরা চাউনি তুফান তোলে , ভরা নদীতে ডাকছে বান , সেই বানের জলে সাঁতরে মুর কাছে ভেসে আসছিস , ভাবি--এর নামই ভালোবাসার টান---! টিলার উপর বসে , ফুলমনি তুকে-- শুধুই চেয়ে চেয়ে দেখি আর ভগবান প্রনাম জানাই , কি অপরূপে রূপে গড়েছেন তোকে তিনি !   " ভাই রাগ করো না , শহরের মেয়েরা ভালোবাসতে , সত্যি তারা জানে না ! বড়   হিসেব করে ছকে খেলে , হেঃ হেঃ যৌবনে পাককা -খেলোয়ার ছিলাম হে ! কাল হলো ঐ নেতার হাট , চাইবাসা-বেতলার সবুজ বনে লাল শাড়ি , খোঁপায় শিমূল. ফুলমনির বাঁধভাঙ্গা ভালোবাসায় উত্তর কলকাতার লায়েক ফা...

ভিক্ষা করে ফিরি

ভিক্ষা করে ফিরি শিরোনাম  -  ভিক্ষা করে ফিরি কবি  -  শ্যামল   সোম আজ আমি ভালোবাসার তৃষ্ণায় ভয়ানক কাতর বুকের ভেতর অনবরতই রক্ত ক্ষরণে খয়ে খয়ে নিরালায় , নির্জনে খুব গোপনে একা একাই কাঁদি ! চোখের জল মুছিয়ে দিয়ে বুকে জড়িয়ে ধরতে কেউই পাশে নেই আজ ,সবাই ফিরে গেছে অবহেলে তাচ্ছিল্য , হাসি হেসে করুণা করে ঘৃন্য অপমানের পাথর ছুড়ে মেরেছে আমায় , বিশাল জায়গা জুড়ে আগুন জ্বেলে সেই অগ্নিকুন্ডে আমায় নিক্ষেপ করে পোড়াতে যাচ্ছিল- অন্য আর এক দল ছুটে এসে বাধা দিল ,  " না ! বুড়োকে আমারা ঐ হাড়ি কাঠে বলি দেবো বুড়োর রক্তে  দেওয়ালে দেওয়ালে লিখে দেবো বুড়োরা সাবধান , বুড়ো বয়ষে ভালোবাসতে চাইলে এভাবেই মারা যান। " দু দলে ঝগড়া -হাতাহাতি -মারামারি শেষে খুনো খুনি শুরু হতে ওদের হাত ফসকে ফুড়ুৎ করে ফিঙে পাখীর মতো উড়ে এসেছি আমার স্বপ্নের দেশ !  সোনার বাঙলা দেশে ভাইরে তোমাদের দোরে দোরে ভিক্ষে  চেয়ে ফিরি ;   দূর থেকে ছুঁড়ে দেওয়া "এক পশলা ভালোবাসা” বন্ধু ! সেই ভালোবাসা সারা গায়ে মেখে , ভালোবাসার গান গাহিতে গাহিতে চলে যাবো।  কমেন্ট...

সুরঞ্জণা তুমি ফিরে গেছো

সুরঞ্জণা তুমি ফিরে গেছো শিরোনাম   সুরঞ্জণা তুমি ফিরে গেছো কবি - শ্যামল সোম  ঘনবর্ষায় অঝরে ঝরছে বৃষ্টি, ঝিলের পা ড়ে গাছের তলায় তোমার চোখে চোখ রাখতেই দেখে  ছিলাম আমার স র্বনাশ; বাদলা হাওয়ায় থরথরিয়ে কাঁপছিল তোমার সোনার বরণ শরীর, সারা মুখে লাজে রাঙা-আলোর হাসি, অপরূপ রুপের এই মাধূরী আকাশে ঝলসে উঠছে বিদ্যূৎ  শিখা আলোয় আলোময় চারিদিক। বাজ প্ড়ার আওয়াজ শুনে ভয়ে তুমি কান চেপেছো, দুহাত বা ড়িয়ে  দিলাম তোমার দিকে,  ছুটে এসে বুকে জোরে জ ড়িয়ে ধরলে আমায়। শ্রাবণের ধারার মতো অবিরাম ঝরছিলো জল,  এত দিনের সব অভিমান  অনুযোগ, অপরাধ-যাতনা অশ্রু আর বৃষ্টিতে ধূয়ে যায়,  গভীর চুম্বনে-- তোমার এতদিনের সব দুঃখ,কষ্ট, ক্লেশ, তপ্ত মাটির সব শুষে নিলাম। নির্জন অলকানম্দা নদীর ধারে, বরফ ঘেরা ঐ নীলক্ন্ঠ পাহাড়ের নীচে পাইন বনে সবুজ বুগিয়াল এরই মাঝে লতায় পাতায় দুজনে ঘর বেঁধেছি। দোরে দোরে -ফেরী করে ফিরতাম বনের ফুল ফল আর পিঠ বোঝাই কাঠ, রঙ বেরঙের বাহারী ঘাগরা, আসমানি রঙের কাঁচুলি, রঙিন ফিতেয় বিনুনী সুরমায় চোখ আঁকা কপালে সোনালী টিপ ! তুমি দুয়ার ধরে আছো দাঁড়িয়ে- দূর থেকে তোমা...