সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

modern poetry লেবেল থাকা পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

পচে যাওয়া সভ্যতা

পচে যাওয়া সভ্যতা পচে যাওয়া সভ্যতা ………………………………. পুরনো ক্ষতটা আবারো জাগিয়ে সভ্যতা মাথা নুয়ে পড়ে বেগানা কুমারী মেয়ের মত জীর্ণতার প্রকোষ্ঠে মানবতার লাল-নীল বাতিগুলো সভ্যতার পদতলে পদদলিত হয়ে জবরদখল করে নেয় সমস্ত মনুষ্যত্ব অসভ্য পূজারী তবুও নিষিদ্ধ নারীর গল্পের আখ্যানে রাত-দিন মাতোয়ারা হয়ে থাকে। ক্ষমতাবান পুরুষ তুমি কতদিন ঘুমাবে , নারীর যৌবনের প্রতি আর কত অর্ঘ্য ঢেলে স্বমেহনে মিটাবে বিপুল ক্ষুধা,  সভ্যতার পোশাক আরও কত লম্বা হলে অষ্টাদশী প্রেমিকা তোমার নির্ভয়ে কাছে আসবে রক্তচোষা বাদুরের মত কত রক্ত নিবে শুষে , সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে থাকা অনিয়ম , সভ্যতার নামে অসভ্যতা আধুনিক হওয়ার নামে আরও কত নগ্নতা দেখাবে তুমি। কচুরিপানার মত ভেসে যাবে তোমার এ অস্বাভাবিক সভ্যতা , ঝরে পড়বে অবক্ষয়ের ধুসর পোশাক ঝরা পাতার মত শুধু সময়ের অপেক্ষা ……………… । কবি ; মোকসেদুল ইসলাম

একটি প্রদীপ

শিরোনাম  একটি প্রদীপ                                         kabir suman -ekti prodeep কাবির সুমন শহরের আকাশে যে তারা এক আঁধারবিন্দু সংখ্যালঘুর মতো সে লুকোয় গুরুছায়া নিয়ে এ দেশে সে মুসলিম ও দেশে বৌদ্ধ হিন্দু খ্রীষ্টান দু’দিকেই ছায়াপথে রয়েছে লুকিয়ে। জীবনসন্ধে এল, তাকে বলি লুকিয়ে থেকো না সংখ্যালঘুর মতো সংখ্যাগুরুও চলে যায় জীবনের ইন্ধন ফুরিয়ে যাবেই একদিন অমোঘ মৃত্যু আসে, লঘু গুরু বেবাক মেলায়। নামে কী বা আসে যায়, সংখ্যাগুরুর গুরুবাণী অথচ ওখানে মরে কাবেরী, এখানে আয়েষা কার্বনে গড়া দেহ পুড়ে যায় একই আগুনে তারপরে হয় ভোট, গণতন্ত্রের চেনা ভাষা। বারবার হবে খুন লঘুরা যে গুরুদের হাতে বারবার পুড়ে যাবে যে ঘর আগুনে মানুষের সে ঘরে সকাল হবে আতঙ্করাত চলে গেলে কিছুটা সবুর করো ফুরোবে আগুন সূর্যের। সকাল হবে না আর হিলিয়াম শেষ হয়ে গেলে ধর্ম বা রাজনীতি কোথাও জ্বালবে না আগুন তার আগে জ্বেলে দাও প্রিয়তমা একটি প্রদীপ একটু মাটির দেহে একটি শিখার গুনগুন।

পুরুষের দাবী আদায়ের এজেন্ডা নেই , আছে কিছু দীর্ঘশ্বাস

শিরোনাম   :  পুরুষের  দাবী আদায়ের এজেন্ডা নেই , আছে কিছু দীর্ঘশ্বাস কবি ; নাগরিক কবিয়াল NK তোমার অশ্রু বিলাপে অপচয়ের জন্যে নয়, জানি , ভেঙ্গে পড়া চলবে না,বয়স্ক পুরুষের চোখে অশ্রু মানায় না , জানি , হতে হবে কর্মে বীর, ধর্মে  ধীর আর সংকটে স্থির , জানি, জানি পাথর আচ্ছাদনে অটল অবিচল হৃদয় যার, সেই সঠিক পুরুষ ,   প্রতিদিন পাহাড় খুদে কুড়োলে জঙ্গল চিঁরে,  কোদালে জমি খুঁড়ে ফসল ফলিয়ে মাঠ থেকে গরু তাড়িয়ে ফিরে পরিবারের নালিশ অনুযোগ, রাতের বিছানায় শরীর নিঙড়ানো পৌরুষের পরিক্ষায় বসা , তারপর পরিবার প্রধান সুলভ ইন্দ্রিয় সচেতন রেখে কিছু ক্ষণের অচেতনতা , এ সবি পুরুষের কাছে পৃথিবীর বহাল কৃত পরম দায়িত্ব, জানি , কিন্তু ক্লান্ত আমার চরন যখন এলোমেলো হয়ে আসে, পেশী যখন প্রবিবাদ জানায়, অনেক জমানো অশ্রু যখন চোখের কোল বেয়ে অজান্তে ঝরে পড়ে দু এক ফোঁটা, ছেলেবেলার মুক্ত ঘুড়ীর মতো জীবন মনে পড়ে যায় বুকটা হাহা করে ওঠে, চলার পথে যদি কোন বন্ধুর প্রিয় মুখ হঠাৎ উদয় হয় , তখন বড্ড ইচ্ছে হয় চলে যাই ওর সাথে কথা বলি অনন্ত কাল , কিন্তু উভয়ের সামাজিক পুরুষ জ...

ভবদীয়

শিরোনাম :  ভবদীয়   কবি গোলাম মাসুম (জিকো) জলে ছুড়ে ফেললে  নদীতে ভাসাবো শরীর - নদীতে ভাসবো নদীতে ছুড়ে ফেললে সমুদ্রে ভাসাবো শরীর - নীল জলে ভাসবো গৃহছাড়া করলে থাকবো অরণ্য আশ্রয়ে, ডালে ডালে ডাল কাটলে শিকড়ে  শিকড় উপড়ে ফেললে মৃত্তিকা আশ্রয়ে  তারপর পোকা থেকে পোকা  হাত এবং হাত, পা থেকে পা নবজাতক যদি হই, হামাগুরি দিয়ে হলেও তোমার কাছে পৌঁছাবো এক পৃথিবী আলোর সন্ধানে  জোনাকী পোকার পিছে ঘুরি অবিরাম এক পৃথিবী সবুজ দেখবো বলে  শেওলা পড়া দিঘীর দিকে তাকিয়ে থাকি পলকহীন  আজ যদি বিমুখ করতে চাও - চাইবো চুম্বন  আজ যদি অবহেলা করতে চাও - চাইবো আলিঙ্গন  পথে পথে হাটবো তবুও তোমার কাছে পৌঁছাবো রোদে রোদে হাটবো তবুও তোমার কাছে পৌঁছাবো জড়িয়ে, চাইবো চুম্বন এবং কাশবন ১৯৯৯/২/৫ @ আরামবাগ, ঢাকা www,zics.me

সূর্য হয়ে উঠতে -parvez sazzad

শিরোনা ম

রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

শিরোনাম যেমন রক্তের মধ্যে জন্ম নেয় সোনালি অসুখ তারপর ফুটে ওঠে ত্বকে মাংসে বীভৎস ক্ষরতা। জাতির শরীরে আজ তেম্নি দ্যাখো দুরারোগ্য ব্যাধি ধর্মান্ধ পিশাচ আর পরকাল ব্যবসায়ি রূপে ক্রমশঃ উঠছে ফুটে ক্ষয়রোগ, রোগের প্রকোপ একদার অন্ধকারে ধর্ম এনে দিয়েছিল আলো, আজ তার কংকালের হাড় আর পঁচা মাংসগুলো ফেরি কোরে ফেরে কিছু স্বার্থাণ্বেষী ফাউল মানুষ- সৃষ্টির অজানা অংশ পূর্ণ করে গালগল্প দিয়ে। আফিম তবুও ভালো, ধর্ম সে তো হেমলক বিষ। ধর্মান্ধের ধর্ম নেই, আছে লোভ, ঘৃণ্য চতুরতা, মানুষের পৃথিবীকে শত খণ্ডে বিভক্ত করেছে তারা টিকিয়ে রেখেছে শ্রেণীভেদ ঈশ্বরের নামে। ঈশ্বরের নামে তারা অনাচার করেছে জায়েজ। হা অন্ধতা! হা মুর্খামি! কতোদূর কোথায় ঈশ্বর! অজানা শক্তির নামে হত্যাযজ্ঞ কতো রক্তপাত, কত যে নির্মম ঝড় বয়ে গেল হাজার বছরে! কোন্ সেই বেহেস্তের হুর আর তহুরা শরাব? অন্তহীন যৌনাচারে নিমজ্জিত অনন্ত সময়? যার লোভে মানুষও হয়ে যায় পশুর অধম। আর কোন দোজখ বা আছে এর চেয়ে ভয়াবহ ক্ষুধার আগুন সে কি হাবিয়ার চেয়ে খুব কম? সে কি রৌরবের চেয়ে নম্র কোন নরোম আগুন? ইহকাল ভুলে যারা পরকালে মত্ত হয়ে আছে চলে যাক সব পরপারে বেহেস্তে তাদের আমরা থা...

মুখরিত মর্মমূল - রুদ্র মোহাম্মদ শহিদুল্লাহ

শিরোনাম

যতদিন দেহে আছে প্রান ,প্রানপনে সরাই জঞ্জাল

শিরোনাম যতদিন দেহে আছে প্রান ,প্রানপনে সরাই জঞ্জাল কাদের মোল্লার ফাঁসি হল , আমি দেশে থাকিনা , দেশী টেলিভিশন অনলাইনে দেখা যায় কিন্তু ফাঁসি তো লাইভ দেখাবেনা , দেখালেও সেটা বসে বসে উপভোগ করার মতো বিষয় নয় ,আমার পাশে থাকেন এক বাংলাদেশী তার কথা হল , “একটা ভালো মানুষরে ফাঁসি দেয়া হচ্ছে”, চিন্তা পড়ে গেলাম , কিছুদিন দেশের রাজনৈতিক বিষয় গুলি ইচ্ছে করে এড়িয়ে যাচ্ছিলাম , সেই কতগুলো চেনা মানুষের রাজনীতি রাজনীতি খেলায় আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছি ,আমার ধারনা ছিল রাজাকারের ফাঁসি টাসিও হবেনা ,সবচে বড়ো কথা কাজ কর্ম নেই ,ভিসা নিয়ে ঝামেলায় আছি , স্ত্রীর সাথে দুবছর সংসার করে উঠতে পারার আগেই ছাড়াছাড়ি হয়ে গেল ,সারাদিন পড়ে পড়ে স্বপ্ন দেখি ,ছাই পাস লিখি , রাত জেগে থাকি ,দিনে ঘুমাই , আগামীকাল খাবার জুটবে কিনা , এই মাসের ভাঁড়া দিতে পারব কিনা কিছুই জানিনা ,এরকম একটা জগা খিচুড়ি অবস্থা ,পরিবার বন্ধু বান্ধব হতাস হয়ে যাচ্ছে , এর আর কিছুই হবেনা বলে সিদ্ধান্তেও চলে এসেছে অনেকে ,আমি নিজেই ফাঁসিতে ঝুলে যেতে পারলে বেঁচে যাই আর কি !তার মধ্যেও শাহবাগের জনতার রাজাকারের ফাঁসি চাই দাবীতে প্রভাবিত হয়ে পড়েছিলাম মাঝে একবার , ব্যাগ গ...

এসো

এসো , আমাদের প্রমোদ মেলায় তুমিও নিমন্ত্রিত , কি চাও বল ,কি দিতে পারি তোমায়? মদিরা , ঘাস পুশ,অথবা বোতলের তরল ওষুধ? নাকি পবিত্র পরিবেশ চাও ? মসজিদ ,মন্দির অথবা চার্চের মতো শুদ্ধ পরিবেশ? যদি চাও পেতে পার নির্ভেজাল কাম