সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

bideshi kobita লেবেল থাকা পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

: মানুষের সঙ্গে কোনো বিরোধ নেই

শিরোনাম   মানুষের সঙ্গে কোনো বিরোধ নেই  মানুষের সঙ্গে কোনো বিরোধ নেই   না , মানুষের সঙ্গে আমার আর বিরোধ নেই কোনো এখন পাওনাদার দুর্ঘটনায় পড়লে তাকে নিয়ে যেতে পারি হাসপাতাল প্রাক্তন প্রেমিকার স্বামীর কাছ থেকে অনায়াসে চাইতে পারি চার্মিনার দাড়ি গজানোর মতো অনায়াসে এ-জীবনে আমি রামকৃষ্ণের কালীপ্রেমে আমি দেখি সার্বভৌম যৌনশক্তি বাবলিদের স্বামীপ্রেমে দেখি সার্বজনীন যৌনসুখ একটি চটি হারিয়ে গেলে আমি কি না , মানুষের সঙ্গে আমার বিরোধ নেই কোনো বোনের বুক থেকে সরে যায় আমার অস্বস্তিময় চোখ আমি ভাইফোঁটার দিন হেঁটে বেড়াই বেশ্যা পাড়ায় আমি মরে গেলে দেখতে পাবো জন্মান্তরের করিডোর আমি এক পরিত্রাণহীন নিয়তিলিপ্ত মানুষ আমি এক নিয়তিহীন সন্ত্রাসলিপ্ত মানুষ আমি দেখেছি আমার ভেতর এক কুকুর কেঁদে চলে অবিরাম তার কুকুরীর জন্যে এক সন্ন্যাসী তার সন্ন্যাসিনীর স্বেচ্ছাকৌমার্য নষ্ট করতে হয়ে ওঠে তৎপর লম্পট আর সেই লাম্পট্যের কাছে গুঁড়ো হয়ে যায় এমনকি স্বর্গীয় প্রেম — শেষ পর্যন্ত আমি কবিতার ভেতর ছন্দের বদলে জীবনের আনন্দ খোঁজার পক্ষপাতী তাই জীবনের সঙ্গে আমার কোনো বিরোধ নেই...

রিক্ত হস্ত

রিক্ত হস্ত   শিরোনাম      রিক্ত হস্ত                 রিক্ত হস্তে যেও না বেশি দূর কন্ঠহীন কন্ঠে, কেন অলীক খ্যাতির তরে সমাজে আকন্ঠ তোমার সুর? খ্যাতির জন্য ঠিক যতটুকু প্রয়োজন নিজেকে গড়ো তুমি সেভাবে, ত্যাগের মহিমা ছাড়া, ক্লেশহীন নিষ্কন্টক। করো না অযথা নিজেকে- যশ-খ্যাতির তালিকায় আত্নপ্রকাশ; সে খ্যাতি টিকবে না ধোপে তা শুধু অসুস্থ সংস্কৃতির বহি:প্রকাশ। পুঁজিবাদী  যারা তোমাদের সম্বল করে শূন্য পকেট করে ভারী, দিবা-রাত্রি ভর অসংখ্য চ্যানেলে চলে অপ-সংস্কৃতির অশুভ আয়োজন; তোমাদের মেধাহীন নির্লজ্জ আত্নপ্রকাশের- কাছে বার বার প্রকৃত মেধার হয় প্রশ্নবিদ্ধ নিশ্চিত বিভাজন। চোখের দৃষ্টি যেন ফিকে হয়ে আসে তোমাদের আকাশ সম- স্বপ্ন দেখার কসরত দেখে, হয়তো কিছুটা বাহবা, তোমার জীবনের গতিপথ ঘুরিয়ে দেয় অগ্রগামী এক অন্য পথের পাথেয় রূপে, কিন্তু যেনে রেখো তা শুধু ক্ষণতরে; তাই দু’একটা অডিও এ্যালবাম কিংবা কিছু সময়সাপেক্ষ ষ্ট্যাজ পারফর্ম করার পর হারিয়ে যাও রুগ্ন সংস্কৃতি থেকে চিরতরে। তোমাদের মত ক্ষুদে-বড় মেধাহীন ছালমা, নো...

আমি এক সৌন্দর্য রাক্ষস : ফালগুনী রায়

শিরোনাম   আমি এক সৌন্দর্য রাক্ষস                             আমি এক সৌন্দর্য রাক্ষস : ফালগুনী রায় প্রজাপতির চিত্রল ডানা দেখে বিরহ থেকে বিবাহের দিকে চলে যায় মানবসম্প্রদায় — আমি এক সৌন্দর্যরাক্ষস ভেঙে দিয়েছি প্রজাপতির গন্ধসন্ধানী শুঁড় আমার নিজের কোনো বিশ্বাস নেই কাউর ওপর অলস বদ্মাস আমি মাঝে মাঝে বেশ্যার নাঙ হয়ে জীবনযাপনের কথা ভাবি যখন মদের নেশা কেটে আসে আর বন্ধুদের উল্লাস ইআর্কির ভেতর বসে টের পাই ব্যর্থ প্রেম চেয়ে দেখি পূর্ণিমা-চাঁদের ভেতর জ্বলন্ত চিতা এখন আমি মর্গের ড্রয়ারে শুয়ে আছি এক মৃতদেহ আমার জ্যান্ত শরীর নিয়ে চলে গেছে তার শাঁখাভাঙা বিধবার ঋতুরক্ত ন্যাকড়ার কাছে মর্গের ড্রয়ারে শুয়ে আছি — চিতাকাঠ শুয়ে আছে বৃক্ষের ভেতর প্রেম নেই প্রসূতিসদনে নেই আসন্নপ্রসবা স্ত্রী মর্গের ড্রয়ারে শুয়ে আছি এভাবেই রয়ে গেছি কেটে যায় দিন রাত বজ্রপাত অনাবৃষ্টি কত বালিকার মসৃণ বুকে গজিয়ে ওঠল মাংসঢিবি কত কুমারীর গর্ভসঞ্চার গর্ভপাত — সত্যজিতের দেশ থেকে লাভ ইন টোকিও চলে গ্যাল পূর্ব আফরিকায় ...

নির্জনতার গাথা-আলেক্সানডার পোপ

Alexander Pope শিরোনাম  :  নির্জনতার গাথা                         কত সুখী সে যার আশা ও উদ্বেগ ঘিরে থাকে পৈত্রিক সামান্য সীমানায় তৃপ্ত নিশ্বাস নিতে পেরে আপন হাওয়ায় নিজের ভূমিতে । যার প্রাণীরা ভরা থাকে দুধে , মাঠ ভরা অন্ন , যার মেষের লোম পোশাক জোগায় যার বৃক্ষরা গ্রীষ্মে নুয়ে পড়ে ছায়ায় , শীতে আগুন জ্বালায়। আর্শীবাদ-ধন্য , যে অনায়াসে পেয়ে যায় সময় , দিন আর বছর , চলে যায় মৃদু পায় স্বাস্থ্যভরা শরীর , মনপূর্ণ শান্তি প্রশান্ত দিন , রাতে গভীর নিদ্রা ; পাঠ ও প্রশান্তি , একাকার ; মধুর বিনোদন ; আর সরলতা , সবাই খুশি হয় ধ্যানমগ্নতায়। এইভাবে থাকতে দাও আমাকে , অদেখা , অজানা , এইভাবে বিলাপহীন মরতে দাও আমাকে , নীরবে ঝ ’ রে যেতে পৃথিবী থেকে , কোনো পাথরকেও বলোনা শুয়ে আছি কোথায়।

ভালবাসতাম- আলেকজান্ডার পুশকিন

ভালবাসতাম- আলেকজান্ডার পুশকিন শিরোনাম   ভালবাসতাম