সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

বিদেশি কবিতা লেবেল থাকা পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

হাঁটছি – পাবলো নেরুদা

হাঁটছি – পাবলো নেরুদা প্রায়শ এমন হয়-নিজেকে মানুষ ভাবলে বমনেচ্ছা হয় হেঁটে যাই দর্জির দোকান আর সিনেমাহলের ভিতর দিয়ে শুকিয়ে ওঠা , জলনিরোধক , পশমী কাপড়ের তৈরি একটি রাজহাঁ স নিয়ন্ত্রণ করছে আমার পথ ছাই আর জরায়ূর জলে। নাপিতের দোকানের গন্ধ আমাকে ঠেলে দেয় ঘোড়ার কান্নার ভিতরে আমি কেবল পাথর কি পশমের মতন স্থির শুয়ে থাকতে চাই আর আমি দোকান আর আমি বাগান দেখতে চাই না দেখতে চাই না পন্য , চশমা , লিফট। প্রায়শ এমন হয়- আমার পা ও নখের ওপর ঘেন্না ধরে যায় আর আমার চুল আর আমার ছায়ায় বমনেচ্ছা হয় । প্রায়শ এমন হয়-নিজেকে মানুষ ভাবলে বমনেচ্ছা হয়। এখনও বিষয়টি চমৎকার হতে পারে সুন্দর লিলি ফুল দিয়ে একজন আইনের কেরানিকে ভয় দেখানো অথবা কানে আঘাত করে সন্ন্যাসিনীকে খুন করা বেশ হয় সবুজ চাকু নিয়ে হেঁটে গেলে রাস্তায় ঠান্ডায় মরার আগে তারস্বরে চিৎকার করলে। অন্ধকারে শিকড় হতে আমি চাইনা অনিশ্চিত , ছড়ানো , ঘুমের সঙ্গে শিউরানো নীচে নেমে যাওয়া , একেবারে পৃথিবীর ভেজা-ভেজা নাড়িভুঁড়িতে ভিতরে নিতে নিতে ভাবা , প্রতিদিন খাওয়া। আমি এত দুঃখযাতনা চাইনা। সমাধি ও শিকড়ের মতো আমি...

ভালবাসতাম

ভালবাসতাম শিরোনাম   ভালবাসতাম  আলেকজান্ডার   পুশকিন তোমাকে ভালবাসতাম , বোধকরি এখনো বাসি সে দীপশিখাটি নিভেনি আজো , অবশ্য এটা আমার ভেতর এখন এতো শান্তভাবে জ্বলছে যে তোমার বিব্রত বোধ করার কোনো কারণ নেই নীরবে প্রতিদানহীনভাবে তোমাকে চেয়েছিলাম খুব ঈর্ষা হতো কখনো , কখনো শরমিন্দা ঈশ্বর যেন তোমাকে এমন একজন মিলিয়ে দেন যে তোমাকে ভালবাসবে ঠিক আমারই মতো সন্তর্পণে ও বিশ্বস্ততায়।  কমেন্ট করতে ভুলবেন না কিন্তু ! নিচে দেখুন কমেন্ট বক্স

অ্যালেন গিন্সবার্গ-এর হাইকু

অ্যালেন গিন্সবার্গ অ্যালেন গিন্সবার্গ - এর হাইকু দাড়ি কামানো ছেড়ে দিয়েছি কিন্তু যে - চোখ আমায় দেখছিল রয়ে গেছে আয়নায় পাগলটা সিনেমা - হল থেকে বেরোল লাঞ্চটাইমের পথ যুবকদের শহর তাদের গোরস্হানে আর এই শহরে পাশ ফিরে শূন্যতায় আমার নাকের শ্বাস পনেরো তলায় কুকুরটা হাড় চিবোচ্ছে রাস্তায় ট্যাক্সি থামল ছাদের ওপর চাঁদ বাগানে পোকার ঝাঁক এ - বাড়িটা ভাড়া নিয়েছি বারান্দায় হাফ প্যান্ট পরে যদিও বৃষ্টিতে