সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

কবিতা লেবেল থাকা পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

সুখ

শিরোনাম: সুখ  কবি: কাজী জুবেরী মোস্তাক  জীবনে সবাই সুখের সন্ধানে ছুটে বেড়ায় হয়তোবা এভাবেই ভালো থাকা যায় ; সুখ সেতো আমাদের আশেপাশেই থাকে  শুধুমাত্র একটু খুঁজলেই পাবে তাকে । কখনো কোন এক শিশুর মুখে হাসি ফুটাও কখনো ক্ষুধার্তের মুখে খাবার দাও ; যদি সময় পাও তবে সময় কাটাও বৃদ্ধাশ্রমে  দেখবে তুমি সুখটা তোমার প্রতি দমে ।  কমেন্ট করতে ভুলবেন না কিন্তু ! নিচে দেখুন কমেন্ট বক্স

কবি বিকাশ দাসের এক গুচ্ছ কবিতা সিঁড়ী এবং অন্যান্ন

আঠাশটি এনভেলাপ

শিরোনাম  আঠাশটি এনভেলাপ ক্ষ্ণণে ক্ষণে মরে যাই মরছি ইশপিশে বিগত চোদ্দটা বছর, আঠাশটি সজারু ব্যথায়। এক এক করে ভেঙ্গে চলেছি আমার-তোমাকে, ভাঙ্গছি তুমি, এক চুমো ক্ষরণে, রক্ত কোলাহলে ধস্ত সফেদ কার্পাস বিবর্ণ দর্পণে অনুকারী হ্যালোজেন প্রতিচ্ছবি, লুকোচুরি খেলে অস্পৃশ্য ভালবাসাতে । ফিলিপ মরিসের কড়া তামাকে ধোঁয়ায়, জাবর কাটে ক্লিষ্টতায় বীভৎস স্মৃতি, ফোস্কা পরা ধূসর ছাই জমিয়ে রাখি, আঠাশটি স্বাদহীন বাদামি এনভেলাপে। by রায়হান সাকিব  কমেন্ট করতে ভুলবেন না কিন্তু ! নিচে দেখুন কমেন্ট বক্স

মৃত্যু

শিরোনাম  মৃত্যু  বিকাশ দাস মৃত্যু মারা যায় না কারোর ডাকে রাকাড়ে না । মৃত্যু আতঙ্ক ভয় জ্বর শূন্য মৃত্যু অহঙ্কারবোধ একলা মৃত্যু অঙ্ক অদৃষ্টের ধারধারে না । কারোর দুপায়ে বা দুহাত ধরে বলে না আমার জীবন ফিরিয়ে দাও। মৃত্যু যুদ্ধ শেষকুল অবশেষে বলে না আমার জীবন জিরিয়ে দাও। মৃত্যু মনিব শরীরের শরিক মৃত্যু ভবিষ্যত ভাগ্যের ধারধারে না । মৃত্যু রোগ মৃত্যু ভোগ জেগে থাকার শর্ত ধাপ্পার ধার ধারে না । মৃত্যু বিদায় মৃত্যুর চোখে নিশ্চুপ কান্নার অল্প ঘুম । মৃত্যু প্রেম মৃত্যু বিষ অসুস্থতার আরোগ্য সুস্থ ঘুম । মৃত্যু আঘাত মৃত্যু বিশ্রাম হাড়ের নিশ্চিন্ত মগ্ন ঘুম । মৃত্যু ইচ্ছে বেঁচে থাকা শরীরের ফাঁকজুড়ে অনন্ত ঘুম । মৃত্যু ছাই মৃত্যু যায় মৃত্যু আসি মৃত্যুর ঠোঁটে মৃত্যুর একলা বাঁশি ।  কমেন্ট করতে ভুলবেন না কিন্তু ! নিচে দেখুন কমেন্ট বক্স

ভালবেসে সখা

শিরোনামঃ ভালবেসে সখা            পারভেজ সাজ্জাদ   ভালবেসে সখা   চাই না পুরোটা নীল আকাশ ,পারো কি দিতে, তোমার আকাশে ঠাই , কথা দেয়া,কথা নেয়া,চাই না ওসব , শুধু বলি হাত বাড়ালেই যেন পাই , চাইনা সহায় ,তোমার কাছে, মুঠো মুঠো সুখ , পারো যদি ভাগ করে নিও, আমার কিছু দুখ । সখা ভালোবাসা এমনই হয় , ভালোবাসা এমনই হয়   । কিছু কথা বলবো আমি ,কিছুটা শুনব তোমার , কথায় কথায় হবে গান ,হবে রাত্রি ভোঁর, কত কথা তবু জমা রয়ে যাবে , শুধু দুজনার ।। সখা ভালোবাসা এমনই হয় , ভালোবাসা এমনই হয়   । নাহয় জাললেনা প্রদীপ আমার জন্যে, তোমার কবিতায় আধার মুছে এনে দিও রুপালী চাঁদ,   আমার দক্ষিণ জানালায় । দিওনা সাত মণিহার,দামী উপহার   ,উৎসবে নাই বা গেলে নিয়ে, কাঁদতে দিও নীরব আলিঙ্গনে ,তোমার বুকে , আদরের আস্কারায় । সখা ভালোবাসা এমনই হয় , ভালোবাসা এমনই হয়   ।   কমেন্ট করতে ভুলবেন না কিন্তু ! নিচে দেখুন কমেন্ট বক্স

তোকে নিয়ে… এলোমেলো

শিরোনাম - তোকে নিয়ে… এলোমেলো তোকে নিয়ে… এলোমেলো – হাবীব কাশফি নিঃসঙ্গতার সাথে সখ্য গড়েছিলাম ভালোই, তারপর… চোখে মোটা গ্লাসের চশমা রুক্ষ চুলের লুকোচুরি আর তার বন্য হাসির উচ্ছলতা, ভেবেছিলাম তোকে নিয়ে লিখবো কবিতা, এলোমেলো বন্য কবিতা। আগুনঝরা ফাগুনে ঝাপসা চোখে বাসন্তি শাড়ি জড়িয়ে খুজেছিলি আমাকে হাজারো ভীড়ের মাঝে, রঙ্গিন বৈশাখের তপ্ত রৌদ্দুরের নিঃস্বঙ্গতায় হারিয়ে ফেলেছি তোকে হাজারো রঙের ভীড়ে, ভেবেছিলাম তোকে নিয়ে লিখবো আরো একটি কবিতা এলোমেলো রঙ্গিন কবিতা। তোর আঙ্গুলের ফাঁকে আঙ্গুল জড়িয়ে ইচ্ছে ছিলো কাটাবো কতো অলস দুপুর, তুই চেয়েরবি আমার চোখে মোটা গ্লাসের চশমার ফাকে, ভেবেছিলাম তোকে নিয়ে লিখবো একটি কবিতা এলোমেলো অলস দুপুরের কবিতা। একটি বর্ষা পেরিয়ে যায় অঝোর বর্ষনে বিষন্নতার চাদর হয়ে, শরতের স্নিগ্ধ বিকেলে হাটবো কি দুজন আবারো একই ধারে? অচেনা পথের ধুলো মাড়িয়ে আঙ্গুলের ফাকে আঙ্গুল জড়িয়ে, সেই মোটা গ্লাসের চশমা চোখে পাড় হবে কতো শত গোধূলী বেলা। ভেবেছিলাম তোকে নিয়ে লিখবো গোধুলি মাখা একটি কবিতা, শত শত কবিতা এলোমেলো কবিতা কিছু তুচ্ছ কবি...

প্যারিসের চিঠি

প্যারিসের চিঠি শিরোনাম  : প্যারিসের চিঠি   লতিফুল ইসলাম শিবলী প্রিয় আকাশি, গতকাল ঠিক দুপুরে তোমার চিঠি পয়েছি। খামের উপর নাম ঠিকানা পড়েই চিনতে পেরেছি তোমার হাতের লেখা; ঠিকানা পেলে কিভাবে লেখনি; কতদিন পর ঢাকার চিঠি; তাও তোমার লেখা, ভাবতে পারো আমার অবস্থা?? গতকাল প্যারিসে ঝরেছিলো এ বছরের রেকর্ড ভাঙ্গা তুষারপাত। তামাক ফুরিয়ে গেছে আনতে পারিনি; এই প্রথম আমি অনেকটা সময় নিয়ে ভুলেছিলাম তামাকের গন্ধ। তোমার চিঠিতে পরিবর্তন আর বদলে যাওয়ার সংবাদ; তুমি কষ্ট পেয়ে লিখেছো - রাত্রির ঢাকা এখন নিয়নের স্নিগধতা ছেড়ে নিয়েছে উতকট সোডিয়ামের সজ্জা, আমাদের প্রিয় রমনা রেস্তোরা এখন কালের সাক্ষী, শীতের বইমেলা পরিণত হয়েছে মিনাবাজারে, টি এস সি'র চত্বরে যেন উপ্তপ্ত বৈরুত। বদলে যাওয়া কষ্টের অপর নাম স্বৃতি এখন তাই নিয়ে বুঝি মেতে আছো; এই পরবাসে আমার চোখের সামনেও বদলে যেতে দেখলাম কত সুদুর ইতিহাস- বালির বাধের মতন ভেসে গেল বার্লিন প্রাচীর ... ইংলিস চ্যানেলের তল দিয়ে হুইসেল বাজিয়ে চলছে ট্রেন; ইউরোপের মানচিত্র এখন রুটি হয়ে গেছে, ক্ষিদে পেলেই ছিড়ে ছিড়ে খাও, স্বাধীনতা মানেই যেন উদর পুর্তি...

মনে থাকবে?

শিরোনাম : মনে থাকবে?   আরণ্যক বসু মনে থাকবে? পরের জন্মে বয়স যখন ষোলোই সঠিক আমরা তখন প্রেমে পড়বো মনে থাকবে? বুকের মধ্যে মস্ত বড় ছাদ থাকবে শীতলপাটি বিছিয়ে দেব; সন্ধে হলে বসবো দু'জন। একটা দুটো খসবে তারা হঠাৎ তোমার চোখের পাতায় তারার চোখের জল গড়াবে, কান্ত কবির গান গাইবে তখন আমি চুপটি ক'রে দু'চোখ ভ'রে থাকবো চেয়ে... মনে থাকবে? এই জন্মের দূরত্বটা পরের জন্মে চুকিয়ে দেব এই জন্মের চুলের গন্ধ পরের জন্মে থাকে যেন এই জন্মের মাতাল চাওয়া পরের জন্মে থাকে যেন মনে থাকবে? আমি হবো উড়নচন্ডি এবং খানিক উস্কোখুস্কো এই জন্মের পারিপাট্য সবার আগে ঘুচিয়ে দেব তুমি কাঁদলে গভীর সুখে এক নিমেষে সবটুকু জল শুষে নেব মনে থাকবে? পরের জন্মে কবি হবো তোমায় নিয়ে হাজারখানেক গান বাঁধবো। তোমার অমন ওষ্ঠ নিয়ে, নাকছাবি আর নূপুর নিয়ে গান বানিয়ে__ মেলায় মেলায় বাউল হয়ে ঘুরে বেড়াবো... মনে থাকবে? আর যা কিছু হই বা না হই পরের জন্মে তিতাস হবো দোল মঞ্চের আবীর হবো শিউলিতলার দুর্বো হবো শরৎকালের আকাশ দেখার__ অনন্তনীল সকাল হবো; এসব কিছু হই বা না হই তোমার প্রথম প...

খোকন সোনা

খোকন সোনা শিরোনাম   খোকন সোনা কবি ; আজিম হোসেন আকাশ  আকাশ জুড়ে মেঘ জমেছে বৃষ্টি এলো ওই, মাগো তোমার খোকন সোনা ঘরে এলো কই? সাত সকালে বের হয়েছে অল্প কিছু খেয়ে, দুষ্টুমিতে মগ্ন বুঝি খেলার সাথী পেয়ে। পুকুর পাড়ের আম গাছেতে মারল যখন ঢিল, রহিমউদ্দিন দৌড়ে এসে মারল ছুঁড়ে কিল! কেঁদে কেঁদে তোমার ছেলে ফিরল যখন ঘরে, সোহাগেতে জড়িয়ে নিলে জিজ্ঞেস না করে। মাগো আমি ছোট্ট যখন ছিলাম তোমার কোলে, এমনি করে আদর সোহাগ আমায় দিয়েছিলে।   কমেন্ট করতে ভুলবেন না কিন্তু ! নিচে দেখুন কমেন্ট বক্স

রিক্ত হস্ত

রিক্ত হস্ত   শিরোনাম      রিক্ত হস্ত                 রিক্ত হস্তে যেও না বেশি দূর কন্ঠহীন কন্ঠে, কেন অলীক খ্যাতির তরে সমাজে আকন্ঠ তোমার সুর? খ্যাতির জন্য ঠিক যতটুকু প্রয়োজন নিজেকে গড়ো তুমি সেভাবে, ত্যাগের মহিমা ছাড়া, ক্লেশহীন নিষ্কন্টক। করো না অযথা নিজেকে- যশ-খ্যাতির তালিকায় আত্নপ্রকাশ; সে খ্যাতি টিকবে না ধোপে তা শুধু অসুস্থ সংস্কৃতির বহি:প্রকাশ। পুঁজিবাদী  যারা তোমাদের সম্বল করে শূন্য পকেট করে ভারী, দিবা-রাত্রি ভর অসংখ্য চ্যানেলে চলে অপ-সংস্কৃতির অশুভ আয়োজন; তোমাদের মেধাহীন নির্লজ্জ আত্নপ্রকাশের- কাছে বার বার প্রকৃত মেধার হয় প্রশ্নবিদ্ধ নিশ্চিত বিভাজন। চোখের দৃষ্টি যেন ফিকে হয়ে আসে তোমাদের আকাশ সম- স্বপ্ন দেখার কসরত দেখে, হয়তো কিছুটা বাহবা, তোমার জীবনের গতিপথ ঘুরিয়ে দেয় অগ্রগামী এক অন্য পথের পাথেয় রূপে, কিন্তু যেনে রেখো তা শুধু ক্ষণতরে; তাই দু’একটা অডিও এ্যালবাম কিংবা কিছু সময়সাপেক্ষ ষ্ট্যাজ পারফর্ম করার পর হারিয়ে যাও রুগ্ন সংস্কৃতি থেকে চিরতরে। তোমাদের মত ক্ষুদে-বড় মেধাহীন ছালমা, নো...

আমি এক সৌন্দর্য রাক্ষস : ফালগুনী রায়

শিরোনাম   আমি এক সৌন্দর্য রাক্ষস                             আমি এক সৌন্দর্য রাক্ষস : ফালগুনী রায় প্রজাপতির চিত্রল ডানা দেখে বিরহ থেকে বিবাহের দিকে চলে যায় মানবসম্প্রদায় — আমি এক সৌন্দর্যরাক্ষস ভেঙে দিয়েছি প্রজাপতির গন্ধসন্ধানী শুঁড় আমার নিজের কোনো বিশ্বাস নেই কাউর ওপর অলস বদ্মাস আমি মাঝে মাঝে বেশ্যার নাঙ হয়ে জীবনযাপনের কথা ভাবি যখন মদের নেশা কেটে আসে আর বন্ধুদের উল্লাস ইআর্কির ভেতর বসে টের পাই ব্যর্থ প্রেম চেয়ে দেখি পূর্ণিমা-চাঁদের ভেতর জ্বলন্ত চিতা এখন আমি মর্গের ড্রয়ারে শুয়ে আছি এক মৃতদেহ আমার জ্যান্ত শরীর নিয়ে চলে গেছে তার শাঁখাভাঙা বিধবার ঋতুরক্ত ন্যাকড়ার কাছে মর্গের ড্রয়ারে শুয়ে আছি — চিতাকাঠ শুয়ে আছে বৃক্ষের ভেতর প্রেম নেই প্রসূতিসদনে নেই আসন্নপ্রসবা স্ত্রী মর্গের ড্রয়ারে শুয়ে আছি এভাবেই রয়ে গেছি কেটে যায় দিন রাত বজ্রপাত অনাবৃষ্টি কত বালিকার মসৃণ বুকে গজিয়ে ওঠল মাংসঢিবি কত কুমারীর গর্ভসঞ্চার গর্ভপাত — সত্যজিতের দেশ থেকে লাভ ইন টোকিও চলে গ্যাল পূর্ব আফরিকায় ...

ভালবাসতাম- আলেকজান্ডার পুশকিন

ভালবাসতাম- আলেকজান্ডার পুশকিন শিরোনাম   ভালবাসতাম