সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

onubad লেবেল থাকা পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

আঁরি মিশোর কবিতা

আঁরি মিশোর কবিতা শিরোনাম  সরলতা এতকাল যাবৎ আমার জীবনে যে জিনিসটার অভাব ছিলো সেটা হলো সরলতা। এখন আমি একটু একটু করে পাল্টাতে শুরু করেছি। যেমন ধরুন , এখন আমি সর্বদাই বাইরে বেরুই আমার বিছানাপাতি সঙ্গে নিয়ে , আর কোনো নারীকে পছন্দ হলেই তাকে বিছানায় নিয়ে নিই। তার নাক বা কানগুলো যদি কুৎসিত বা বড় বড় হয় , সেগুলো আমি তার কাপড়চোপড়ের সাথে খুলে নিয়ে বিছানার নিচে রেখে দিই , যাতে করে যাবার সময় সে সেগুলো ফেরৎ নিয়ে যেতে পারে। আমার যা পছন্দ আমি শুধু সেটাই রাখি। যদি তার অন্তর্বাস পাল্টানো লাগে তক্ষুনি আমি সেগুলি পাল্টে দিই। এইগুলিই হলো আমার উপহার। কিন্তু যদি দেখি আরো সুন্দরী একটা নারী যাচ্ছে , তক্ষুনি আমি প্রথমটার কাছে ক্ষমা চেয়ে তাকে হাওয়া করে দিই। লোকজন যারা আমাকে চেনে তাদের ধারণা , এতক্ষণ যা বলেছি সেটা আমি পারবোই না , সেটা আমার স্বভাবই নয়। নিজের সম্পর্কে আমারও একসময় তাই ধারণা ছিলো , তবে তার কারণ হলো তখন আমি যা-পছন্দ-তাই করতাম না। এখন আমার বিকেলগুলো অসাধারণ। (সকালের দিকে আমি কাজকর্ম করি।)   কমেন্ট করতে ভুলবেন না কিন্তু ! নিচে দেখুন কমেন্ট বক্স

নির্জনতার গাথা-আলেক্সানডার পোপ

Alexander Pope শিরোনাম  :  নির্জনতার গাথা                         কত সুখী সে যার আশা ও উদ্বেগ ঘিরে থাকে পৈত্রিক সামান্য সীমানায় তৃপ্ত নিশ্বাস নিতে পেরে আপন হাওয়ায় নিজের ভূমিতে । যার প্রাণীরা ভরা থাকে দুধে , মাঠ ভরা অন্ন , যার মেষের লোম পোশাক জোগায় যার বৃক্ষরা গ্রীষ্মে নুয়ে পড়ে ছায়ায় , শীতে আগুন জ্বালায়। আর্শীবাদ-ধন্য , যে অনায়াসে পেয়ে যায় সময় , দিন আর বছর , চলে যায় মৃদু পায় স্বাস্থ্যভরা শরীর , মনপূর্ণ শান্তি প্রশান্ত দিন , রাতে গভীর নিদ্রা ; পাঠ ও প্রশান্তি , একাকার ; মধুর বিনোদন ; আর সরলতা , সবাই খুশি হয় ধ্যানমগ্নতায়। এইভাবে থাকতে দাও আমাকে , অদেখা , অজানা , এইভাবে বিলাপহীন মরতে দাও আমাকে , নীরবে ঝ ’ রে যেতে পৃথিবী থেকে , কোনো পাথরকেও বলোনা শুয়ে আছি কোথায়।

Woh Kagaz Ki Kashti Wo Barish Ka Pani Lyric translation in Bengali অনুবাদ

শিরোনাম ;   Woh Kagaz Ki Kashti Wo Barish Ka Pani Lyrics from Aaj অনুবাদ ; সাজ্জাদ পারভেজ এই ধন নিয়ে নাও এই ক্ষমতাও নিয়ে নাও , নিয়ে যেতে পারো এই যৌবন আমার যদি চাও ছিনি, শুধু ফিরিয়ে দাও সেই কাগজের নৌকো, সেই বরষার পানি । পাড়ার পুরনো ঐতিহ্য নানীর মুখের রুপকথা, সেই রুপকথার পরিদের দেশ , সেই বয়সী চেহারায় যুগের রেখাময় ছাপ । চাইলেও যা ভুলতে পারেনা কেউ, সেই ছোট ছোট রাতের বড়ো বড়ো কাহিনী । কড়া রোদে ঘর থেকে না বেরুনো , সেই পাখীদের কলরব , প্রজাপতির ঘর , সেই পুতুলের বিয়ে নিয়ে খামোখা ঝগড়া , সেই দোলনা থেকে পড়ে যাওয়া ,ফের উঠে দাঁড়ানো , সেই বুনো গাছের কোমল কাঁটা , সেই পড়ে থাকা ভাঙা কাঁচের চুড়ি খানি, সেই কাগজের নৌকো ,সেই বরষার পানি । কখনো বালির ঘর বানানো ,বানিয়ে ভেঙে দেয়া, সেই ঋতু বদলের ছবি আমার , সেই নতুন খেলনার আব্দার আমার , না ছিল দুনিয়ার চিন্তা , না সম্পর্কের টানা পোড়েন , কি সুন্দরই না ছিল সেই জীবন আমার জানি, সেই কাগজের নৌকো , সেই বরষার পানি ।