সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

অনুবাদ লেবেল থাকা পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

নর নারীর বন্ধুতা

নর নারীর বন্ধুতা মূল ; জাপানী কবি ‘আকি’ আচ্ছা ধর যদি আমরা দুজন , প্রেমিক প্রেমিকা হয়ে যাই , এই যে বন্ধুত্ব , তবে কি  উবে যাবে ? অনুবাদ:    পারভেজ সাজ্জাদ এম 

হাঁটছি – পাবলো নেরুদা

হাঁটছি – পাবলো নেরুদা প্রায়শ এমন হয়-নিজেকে মানুষ ভাবলে বমনেচ্ছা হয় হেঁটে যাই দর্জির দোকান আর সিনেমাহলের ভিতর দিয়ে শুকিয়ে ওঠা , জলনিরোধক , পশমী কাপড়ের তৈরি একটি রাজহাঁ স নিয়ন্ত্রণ করছে আমার পথ ছাই আর জরায়ূর জলে। নাপিতের দোকানের গন্ধ আমাকে ঠেলে দেয় ঘোড়ার কান্নার ভিতরে আমি কেবল পাথর কি পশমের মতন স্থির শুয়ে থাকতে চাই আর আমি দোকান আর আমি বাগান দেখতে চাই না দেখতে চাই না পন্য , চশমা , লিফট। প্রায়শ এমন হয়- আমার পা ও নখের ওপর ঘেন্না ধরে যায় আর আমার চুল আর আমার ছায়ায় বমনেচ্ছা হয় । প্রায়শ এমন হয়-নিজেকে মানুষ ভাবলে বমনেচ্ছা হয়। এখনও বিষয়টি চমৎকার হতে পারে সুন্দর লিলি ফুল দিয়ে একজন আইনের কেরানিকে ভয় দেখানো অথবা কানে আঘাত করে সন্ন্যাসিনীকে খুন করা বেশ হয় সবুজ চাকু নিয়ে হেঁটে গেলে রাস্তায় ঠান্ডায় মরার আগে তারস্বরে চিৎকার করলে। অন্ধকারে শিকড় হতে আমি চাইনা অনিশ্চিত , ছড়ানো , ঘুমের সঙ্গে শিউরানো নীচে নেমে যাওয়া , একেবারে পৃথিবীর ভেজা-ভেজা নাড়িভুঁড়িতে ভিতরে নিতে নিতে ভাবা , প্রতিদিন খাওয়া। আমি এত দুঃখযাতনা চাইনা। সমাধি ও শিকড়ের মতো আমি...

শীতের স্বপ্ন – আর্তুর র‌্যাঁবো

শীতের স্বপ্ন – আর্তুর র‌্যাঁবো শীতে আমরা গোলাপি রঙের নীল গদির ছোট্ট ঘোড়াগাড়িতে করে বেড়াতে যাব। ভালো লাগবে আমাদের। উন্মাদ চুমুর ঝাঁক অপেক্ষা করছে আমাদের কোণে। কিছু দেখবে না বলে চোখ বন্ধ করে থাকবে তুমি , কাচের ভিতর দিয়ে ভেংচি কাটবে সন্ধ্যার ছায়া , ক্রদ্ধ গর্জন করতে থাকা ঐসব দৈত্যেরা , কালো নেকড়ে ও কালো পিশাচের ভিড় পাশ কেটে চলে যাবে। তারপর তুমি টের পাবে তোমার শক্ত গালে সুড়সুড়ি লাগছে হালকা চুমু উত্তেজিত মাকড়শার মতন তোমার ঘাড়ে দৌড়াবে … আর তুমি মাথা নাড়তে নাড়তে বলবে: ‘ ধর ’! তারপর আমরা প্রাণিটিকে খুঁজতে থাকব যেটিও অনেক দূরে যাবে বেড়াতে … অনুবাদ: ইমন জুবায়ের

ভালবাসতাম

ভালবাসতাম শিরোনাম   ভালবাসতাম  আলেকজান্ডার   পুশকিন তোমাকে ভালবাসতাম , বোধকরি এখনো বাসি সে দীপশিখাটি নিভেনি আজো , অবশ্য এটা আমার ভেতর এখন এতো শান্তভাবে জ্বলছে যে তোমার বিব্রত বোধ করার কোনো কারণ নেই নীরবে প্রতিদানহীনভাবে তোমাকে চেয়েছিলাম খুব ঈর্ষা হতো কখনো , কখনো শরমিন্দা ঈশ্বর যেন তোমাকে এমন একজন মিলিয়ে দেন যে তোমাকে ভালবাসবে ঠিক আমারই মতো সন্তর্পণে ও বিশ্বস্ততায়।  কমেন্ট করতে ভুলবেন না কিন্তু ! নিচে দেখুন কমেন্ট বক্স

অ্যালেন গিন্সবার্গ-এর হাইকু

অ্যালেন গিন্সবার্গ অ্যালেন গিন্সবার্গ - এর হাইকু দাড়ি কামানো ছেড়ে দিয়েছি কিন্তু যে - চোখ আমায় দেখছিল রয়ে গেছে আয়নায় পাগলটা সিনেমা - হল থেকে বেরোল লাঞ্চটাইমের পথ যুবকদের শহর তাদের গোরস্হানে আর এই শহরে পাশ ফিরে শূন্যতায় আমার নাকের শ্বাস পনেরো তলায় কুকুরটা হাড় চিবোচ্ছে রাস্তায় ট্যাক্সি থামল ছাদের ওপর চাঁদ বাগানে পোকার ঝাঁক এ - বাড়িটা ভাড়া নিয়েছি বারান্দায় হাফ প্যান্ট পরে যদিও বৃষ্টিতে

সাহসহীনতা (অনুবাদ )

সাহসহীনতা আজকাল প্রায়ই মনে হয়, কতটা সময় আমি হা্রাচ্ছি, বসে বসে, প্রতীক্ষায় থেকে, তুমি বদলাবে, এই আশায়! কখনো নিশ্চিত হতে পারিনা, বদলানো কার বেশী প্রয়োজন, তোমার, না আমার! চিরকাল ভেবে এসেছি, স্থাণুবৎ বসে থাকা, কোন সিদ্ধান্ত না নেয়াও বুঝি একটা সিদ্ধান্তেরই মতন। এখন আমি ভাবছি, এটা কি শক্তি্র অভাবে, নাকি সাহসের, যে আমি সেসব যন্ত্রনা মেনে নিতে পারবোনা, যেসব আসবেই, যদি আমি এখনই এগোতে চাই? ইস! যদি জানতাম! আসলেই কি এটা আমার চাওয়া ছিলো, নাকি এ চাওয়ার কারণ, কেবলই আমার সাহসহীনতা? মূলঃ Linda Engwall অনুবাদঃ খায়রুল আহসান  কমেন্ট করতে ভুলবেন না কিন্তু ! নিচে দেখুন কমেন্ট বক্স

আঁরি মিশোর কবিতা

আঁরি মিশোর কবিতা শিরোনাম  সরলতা এতকাল যাবৎ আমার জীবনে যে জিনিসটার অভাব ছিলো সেটা হলো সরলতা। এখন আমি একটু একটু করে পাল্টাতে শুরু করেছি। যেমন ধরুন , এখন আমি সর্বদাই বাইরে বেরুই আমার বিছানাপাতি সঙ্গে নিয়ে , আর কোনো নারীকে পছন্দ হলেই তাকে বিছানায় নিয়ে নিই। তার নাক বা কানগুলো যদি কুৎসিত বা বড় বড় হয় , সেগুলো আমি তার কাপড়চোপড়ের সাথে খুলে নিয়ে বিছানার নিচে রেখে দিই , যাতে করে যাবার সময় সে সেগুলো ফেরৎ নিয়ে যেতে পারে। আমার যা পছন্দ আমি শুধু সেটাই রাখি। যদি তার অন্তর্বাস পাল্টানো লাগে তক্ষুনি আমি সেগুলি পাল্টে দিই। এইগুলিই হলো আমার উপহার। কিন্তু যদি দেখি আরো সুন্দরী একটা নারী যাচ্ছে , তক্ষুনি আমি প্রথমটার কাছে ক্ষমা চেয়ে তাকে হাওয়া করে দিই। লোকজন যারা আমাকে চেনে তাদের ধারণা , এতক্ষণ যা বলেছি সেটা আমি পারবোই না , সেটা আমার স্বভাবই নয়। নিজের সম্পর্কে আমারও একসময় তাই ধারণা ছিলো , তবে তার কারণ হলো তখন আমি যা-পছন্দ-তাই করতাম না। এখন আমার বিকেলগুলো অসাধারণ। (সকালের দিকে আমি কাজকর্ম করি।)   কমেন্ট করতে ভুলবেন না কিন্তু ! নিচে দেখুন কমেন্ট বক্স

আমি এক সৌন্দর্য রাক্ষস : ফালগুনী রায়

শিরোনাম   আমি এক সৌন্দর্য রাক্ষস                             আমি এক সৌন্দর্য রাক্ষস : ফালগুনী রায় প্রজাপতির চিত্রল ডানা দেখে বিরহ থেকে বিবাহের দিকে চলে যায় মানবসম্প্রদায় — আমি এক সৌন্দর্যরাক্ষস ভেঙে দিয়েছি প্রজাপতির গন্ধসন্ধানী শুঁড় আমার নিজের কোনো বিশ্বাস নেই কাউর ওপর অলস বদ্মাস আমি মাঝে মাঝে বেশ্যার নাঙ হয়ে জীবনযাপনের কথা ভাবি যখন মদের নেশা কেটে আসে আর বন্ধুদের উল্লাস ইআর্কির ভেতর বসে টের পাই ব্যর্থ প্রেম চেয়ে দেখি পূর্ণিমা-চাঁদের ভেতর জ্বলন্ত চিতা এখন আমি মর্গের ড্রয়ারে শুয়ে আছি এক মৃতদেহ আমার জ্যান্ত শরীর নিয়ে চলে গেছে তার শাঁখাভাঙা বিধবার ঋতুরক্ত ন্যাকড়ার কাছে মর্গের ড্রয়ারে শুয়ে আছি — চিতাকাঠ শুয়ে আছে বৃক্ষের ভেতর প্রেম নেই প্রসূতিসদনে নেই আসন্নপ্রসবা স্ত্রী মর্গের ড্রয়ারে শুয়ে আছি এভাবেই রয়ে গেছি কেটে যায় দিন রাত বজ্রপাত অনাবৃষ্টি কত বালিকার মসৃণ বুকে গজিয়ে ওঠল মাংসঢিবি কত কুমারীর গর্ভসঞ্চার গর্ভপাত — সত্যজিতের দেশ থেকে লাভ ইন টোকিও চলে গ্যাল পূর্ব আফরিকায় ...