সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

Bangladeshi Poet লেবেল থাকা পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

হৃদয়ের ঋণ – হেলাল হাফিজ

শিরোনাম : হৃদয়ের ঋণ আমার জীবন ভালোবাসাহীন গেলে কলঙ্ক হবে কলঙ্ক হবে তোর, হৃদয়ের ঋণ খুব সামান্য হৃদয়ের ঋণ পেলে বেদনাকে নিয়ে সচ্ছলতার ঘর বাঁধবো নিমেষে। শর্তবিহীন হাত গচ্ছিত রেখে লাজুক দু’হাতে আমি কাটাবো উজাড় যুগলবন্দী হাত অযুত স্বপ্নে। শুনেছি জীবন দামী, একবার আসে, তাকে ভালোবেসে যদি অমার্জনীয় অপরাধ হয় হোক, ইতিহাস দেবে অমরতা নিরবধি আয় মেয়ে গড়ি চারু আনন্দলোক। দেখবো দেখাবো পরস্পরকে খুলে যতো সুখ আর দুঃখের সব দাগ, আয় না পাষাণী একবার পথ ভুলে পরীক্ষা হোক কার কতো অনুরাগ।                       – হেলাল হাফিজ কমেন্ট করতে ভুলবেন না কিন্তু ! নিচে দেখুন কমেন্ট বক্স

যে প্রশ্নের উত্তর জানা নেই

যে প্রশ্নের উত্তর জানা নেই শিরোনাম   যে প্রশ্নের উত্তর জানা নেই     মোকসেদুল ইসলাম নীতির চিবুক বেয়ে ঝরে পরে সততা নামক অহমের চোখের পানি জীবনের রোদ্দুর আলুথালু পায়ে এগিয়ে আসে অন্ধকারের দিকে নৈতিকতার দীর্ঘ ইতিহাসে সমস্ত মৌন্যতা আজ আঘাত হানে। নরকাগ্নির অপ্রকৃতস্থ অবস্থা থেকে মুক্তি পাওয়ার আশায় যে করজোড়ে প্রার্থনা করতো সেই মানব আজ সত্যের রক্ত চুষে ফুলে-ফেঁপে উঠছে জোঁকের মত তারপরেও অবিশ্বাসের ঢেকুর তুলে তার পায়ে সেলাম ঠুকি, খুশিতে বগল বাজাই। আমরা যেন আবারও ভ্রুন থেকে ধীরে ধীরে ছোট বাচ্চা হয়ে উঠি হে মানব কবে তুমি মানুষ হবে?   কমেন্ট করতে ভুলবেন না কিন্তু ! নিচে দেখুন কমেন্ট বক্স

বাংলাদেশ আমার জন্মভুমি

শিরোনাম -  বাংলাদেশ আমার জন্মভুমি বাংলাদেশ আমার জন্মভুমি কবি - মোঃ হাবিবুর রহমান হাবিব সবুজ ধান ক্ষেত মহুয়ার গন্ধ নিঃসীম আকাশ কয়েকটি ধ্রুবতারা পাখিরা করে সন্ধ্যার আয়োজন । অবারিত মেঠো পথ- ঠিক যেন প্রিয়ার অবিনস্ত কুন্তল এক খন্ড কালো মেঘ চোঁখের কাজল । প্রগাঢ় নিকুঞ্জ বিথীকা বাহারি ফুলের পাঁপড়ির দোল উড়ে আসা এক ঝাক সাদা বক আমার জন্মভুমি বাংলাদেশ অবাক স্নিগ্ধের ছায়া ভূমি সবুজের আকরে গাঁথা শ্লোক । বোশেক বেলায় মৌ মৌ মিষ্টি আমের বোল পাগলা হাতি যেন ঝড়ের নাচন ঝাঝালো রোদ মাথার উপর সুউচ্চ পর্বত শেখর ,এক খন্ড সাদা মেঘ চির যৌবনা সুহাসিনী যুবতি কেড়ে নেয় আমার আবেগ । কোকিলের ডাকা ডাকি সুখের আবেশ বাংলাদেশ আমার জন্মভুমি বাংলাদেশ ।। ছল ছল ছল ঢেউয়ের মিছিল একমুঠো শান্তির ঝিল বাশরের সপ্নীল চোঁখে প্রিয়ার দুরু দুরু কম্পণ ; ঝাকড়া বটের ছায়ায় বসে ক্লান্ত দেহের শ্রান্ত মন হলুদ মায়াবি চোঁখ । আশার যোজন সুখ মহাসুখ । খুশির আবেশ বাংলাদেশ আমার জন্মভূমি বাংলাদেশ । হাজারো হরিট টিয়ার পলকের মাঝে টেকনাফ থেকে তেতুলিয়ার মানচিত্র জোনাঁকির ডানায় উড়ে লাল সবুজের পতাকা ঝরে পরে সব দঃখ ফুটে উঠে সুখের আবেশ বাংলাদেশ ।আমার ...

অন্তর্জ্বলি এ যাত্রায়

শিরোনাম -  অন্তর্জ্বলি   এ যাত্রায় অন্তর্জ্বলি    এ যাত্রায়   কবি -  শ্যামল  সোম অন্তহিন অভিমানে   পুড়ছে মন , সুখ স্মৃতির দহনে   গলছে সুখ ,   নীল বসনা ললনা এই সুখ সায়রে   তোমারিই   আজ ভাসছে মুখ।   এখন এই অলস সকাল   গড়িয়ে ঝরছে   আগুন , বাড়ছে   তাপ ,    সে দিনের   স্পর্শের   গভীরতায়   এই ক্ষণে   এ সন্তারিত   সন্তাপ।   নি র্জনে   একাকী এ সন্তরণে   অতল   জলে   ভাসছে   আমার   শব ,    আনমনা নিঝুম   দুপুরে- ঘুঘু   নিশ্চুপ , থেমে গেছে   পাখীদের. কলরব।   তোমার   শরীরের ঘ্রাণ   এখনও   অম্লান , বহিছে ব্যাকু ল   বাতাসে ,     চুম্বনের    স্বাদ ফেরে   হীমেল হাওয়ায় ,  শীতল   মৃর্ত্যুর ছোঁয়ায়   ভাসে।     পূ র্ণিমায় জ্যো স্নায়   স্নাত সিক্ত বসনে ,  হে প্রেম ! বহুকাল আগে   চলে ,   প্রচ ন্ড ঝরে   ভেঙ্গে গেছ...

বেখেয়ালী স্বপ্নরা

শিরোনাম -  বেখেয়ালী স্বপ্নরা কবি - মোকসেদুল ইসলাম নাগরিক ভালোবাসার চাঁদ ডুবে গিয়েছে মেঘের আড়ালে অনেক আগেই,  ব্যস্ত শহরে বিস্ময়ে নিঃশব্দে ঝুলে পড়েছে মানবিক বোধ।  জীবনের স্ক্রীনশটে দেখা ধূসর স্বপ্নগুলো ঝরে পড়ে তারা খসার মত করে,  ফুটওভার ব্রিজে দাঁড়িয়ে থেকে কৃত্রিম আলোয় পথ দেখার চেষ্টা করে পথের টোকাই। অজানার উদ্দেশ্যে পাড়ি জমানো অতিথি পাখির মতই নাগরিক জীবন কাটে, দুরুদুরু বুকে ভাঙ্গা বিশ্বাস নিয়ে তবু দুঃসময়ের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে যায় বাল, ইট-পাথরের এই শহরে এতটুকুও কমেনি বৃষ্টির পরিমাণ শুধু বিদীর্ণ স্বপ্নে মরে যায় সমস্ত আবেগ। তবুও বেখেয়ালী ইচ্ছেরা স্বপ্ন বাঁধে বুকের মাঝ ,  টোকাইয়ের ছেঁড়া বস্তায় কিংবা আবর্জনার স্তুপে। বেখেয়ালী স্বপ্নরা কমেন্ট করতে ভুলবেন না কিন্তু ! নিচে দেখুন কমেন্ট বক্স

জন্মদাতা

জন্মদাতা শিরোনাম -  জন্মদাতা কবি - আজিম আকাশ ভব মাঝে তব ললিত কায়া সৃজিলেন সযতনে সৃষ্ট্রার ইশারায় যিনি; সৃষ্টির শ্রেষ্ঠত্বের মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত সেইতো জন্মদাতা তিনি। জন্মদানেই যিনি করেননি তাঁর সকল দায়িত্বের নিষ্ফল সমাপণ; কত কষ্ট-কত গঞ্জনা আর লাঞ্ছনা সয়ে করেন নিয়তির কাছে আত্নসমর্পণ। ভোগ-বিলাস ভুলে, সন্তানের তরে জীবন যুদ্ধে করেন সংগ্রাম আমরণ; তব মুখে ফুটাতে একটু চাঁদের হাসি দু:খকে করেন তিনি সাদরে বরণ। শতবার জীবন যুঝায় লিপ্ত হয় তিনি সন্তানের শির উচু রাখার প্রত্যয়ে; শীর্ণ কায়ায় নির্বিকারে নিঃশেষ হয়ে তবুও স্বপ্ন বাঁধে নির্ভেজাল নির্ভয়ে। পৃথিবীর আয়ুতে তিনি বার বার বেঁচে থেকেও যেন জীবন্মৃত শ্মশাণ; তবু সন্তানের কাছে বিম্বিসার এই ধরার বুকে পায় না ততটুকু সন্মান। এসো মোরা তবে হাতে হাত রেখে- কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে করি সতত পণ; পিতার প্রতি সন্তানের অধিকার- নির্দ্ধিধায় করবো প্রতিষ্ঠা অনুক্ষণ।  কমেন্ট করতে ভুলবেন না কিন্তু ! নিচে দেখুন কমেন্ট বক্স

একরাশ আঁধার

একরাশ আঁধার শিরোনাম -  একরাশ আঁধার কবি - আজিম আকাশ একরাশ আঁধারের মাঝে হাঁটতে হাঁটতে এক ফালি আলোর পথ খুঁজে বেড়াই, টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়ার ধূসর প্রান্তর- উত্তর মেরু থেকে দক্ষিণ মেরুর অচেনা পথে আজো খুঁজে ফিরি এক ফালি চাঁদের বিকিরণ; যা দূর করতে পারে জাতির ভয়াবহ বিভীষণ। সভ্যতা থেকে সভ্যতার ক্রমশ বিবর্তন; কতটুকু হয়েছে দেশের আদল পরিবর্তন? এটা শুধু সভ্যতার দেয়ালে মাথা ঠুকে মরা- নিপীড়িত জনতার আত্নজিজ্ঞাসাই নয়, অজস্র আঘাতে হৃদয়ের রক্তক্ষরণও বটে। তবে কি এভাবেই ধেই ধেই করে চলবে- রুগ্ন জাতির নিদারুণ অনিশ্চিত ভবিষ্যত? দিন যায় দিন আসে, দিন বদলের পালায়; বদলে যাও, বদলে দাও শ্লোগান প্রতীকী মাত্র- বাস্তবতার ছোঁয়া নেই তা বুকের জ্বালা বাড়ায়। স্বপ্নাক্রান্ত জনতা যুগ যুগ স্বপ্নকে আঁকড়ে ধরে বার বার আশায় বুক বাঁধে, তবুও যদি আসে- বাংলায় একটি আচ্মকা আমূল পরিবর্তন; জনতার আমরণ দাবিগুলো আজ কেবলই ধূসর কুয়াশা হয়ে বাংলার প্রকৃতিতে, দীঘঃশ্বাস রুপে বিস্তার করছে টেকনাফ থেকে- তেঁতুলিয়ার শহর-গ্রামময় প্রতিটি প্রান্তর; তবে কি জাতির বিবেক আজ শুধুই প্রশ্নবিদ্ধ? আর কত থাকবে আশাহত, জনতার অন্তর? এই কি তবে আমার ৩০ লাখ প...

কিছু আলো কিছু আঁধার

কিছু আলো কিছু আঁধার শিরোনাম  কিছু আলো কিছু আঁধার কবি আজিম হোসেন আকাশ কিছু আলো-কিছু আঁধার তোমার আমার হবে দেখা- হয়তো বা আবার। কিছু কথা-কিছু কবিতা থাক না চিরকাল হৃদয়ে গাঁথা, কিছু সংকীর্ণতা কিছু নীরবতা যেন ভাষাহীন কোন কবিতা। কিছু সুখ-কিছু দুঃখ ক্রমান্বয়ে মানুষের জীবনে আসে; এরই মাঝে স্বপ্নময়তায় মানুষ কখনো বা কাউকে ভালবাসে। কিছু আবেগ-কিছু অনুভূতি চায় স্বপ্নকে আজীবন জয় করতে, তাইতো মানুষ শত দুঃখকে বরণ করে, চায় আমরণ জীবন গড়তে। কিছু হাসি-কিছু কান্না ক্রমাগতভাবে মানুষের জীবনে শতবার দোলা দিয়ে যায়; তাই শত বাঁধার প্রাচীর পেরিয়ে নারীর বাহুডোরে দুঃখ হারায়। কিছু মান-কিছু অভিমান প্রত্যেকের জীবনে চলে নদীর মতই প্রবাহমান; এরি মাঝে সংশোধিত মনে ভালবাসার মধুর স্মৃতিচারণে, করে কল্পনায় তাজমহল নির্মাণ। কিছু হিংসা-কিছু বিদ্বেষ করে তুলে জীবনকে গতিহীন; তাইতো আবেগ তাড়িত হয়ে কখনো বা হয় মানুষ প্রেমহীন। কিছু রোদ-কিছু বৃষ্টি প্রকৃতির নিয়মেই আসে ক্রমাগত; তাই অর্থহীনতার অজুহাতে কারো বা জীবন ভালবাসার কাছে পরাভূত। কিছু নিয়ম-কিছু অনিয়ম চলে রাজনৈতিক গতিধারায় আজীবন; তাই ক্ষমতার মোহে অন্ধ হয়ে কেউ করে পকেট কিংবা পেটন...

সুরঞ্জণা তুমি ফিরে গেছো

সুরঞ্জণা তুমি ফিরে গেছো শিরোনাম   সুরঞ্জণা তুমি ফিরে গেছো কবি - শ্যামল সোম  ঘনবর্ষায় অঝরে ঝরছে বৃষ্টি, ঝিলের পা ড়ে গাছের তলায় তোমার চোখে চোখ রাখতেই দেখে  ছিলাম আমার স র্বনাশ; বাদলা হাওয়ায় থরথরিয়ে কাঁপছিল তোমার সোনার বরণ শরীর, সারা মুখে লাজে রাঙা-আলোর হাসি, অপরূপ রুপের এই মাধূরী আকাশে ঝলসে উঠছে বিদ্যূৎ  শিখা আলোয় আলোময় চারিদিক। বাজ প্ড়ার আওয়াজ শুনে ভয়ে তুমি কান চেপেছো, দুহাত বা ড়িয়ে  দিলাম তোমার দিকে,  ছুটে এসে বুকে জোরে জ ড়িয়ে ধরলে আমায়। শ্রাবণের ধারার মতো অবিরাম ঝরছিলো জল,  এত দিনের সব অভিমান  অনুযোগ, অপরাধ-যাতনা অশ্রু আর বৃষ্টিতে ধূয়ে যায়,  গভীর চুম্বনে-- তোমার এতদিনের সব দুঃখ,কষ্ট, ক্লেশ, তপ্ত মাটির সব শুষে নিলাম। নির্জন অলকানম্দা নদীর ধারে, বরফ ঘেরা ঐ নীলক্ন্ঠ পাহাড়ের নীচে পাইন বনে সবুজ বুগিয়াল এরই মাঝে লতায় পাতায় দুজনে ঘর বেঁধেছি। দোরে দোরে -ফেরী করে ফিরতাম বনের ফুল ফল আর পিঠ বোঝাই কাঠ, রঙ বেরঙের বাহারী ঘাগরা, আসমানি রঙের কাঁচুলি, রঙিন ফিতেয় বিনুনী সুরমায় চোখ আঁকা কপালে সোনালী টিপ ! তুমি দুয়ার ধরে আছো দাঁড়িয়ে- দূর থেকে তোমা...

শুধু তোমায়. দিলাম

শুধু  তোমায়. দিলাম শিরোনাম   শুধু  তোমায়. দিলাম কবি- শ্যামল সোম  যা কিছু এতদিন, যা -আমার ছিলো দুহাত ভরে আজ তোমায় দিলাম, যাওয়ার আগে উজার করে আমার মনের অনেক কথাই রেখে গেলাম। আকাশে সে দিন গভীর শীতের  রাতে উড়ছিল জাপানী বোমারু বিমান সাইরেন আওয়াজে কাঁপিয়ে ক্যালকাটা শহর, আর শ্ঙ্খএর ধ্বনির মাঝেই জন্ম নিলো এক শিশু ! দাদু ভেতরের ঘরে বসে রেডিওয় শুনছেন, এক ব্রজ  কন্ঠের সেই অমর - উদ্দাত আহবাণ, " দিল্লী চল! তোমারা আমায় রক্ত দাও!". আজাদ হিন্দ ফৌজের কর্ণধারের আশ্বাস দিলেন "আমি তোমায় স্বাধিনতা দেবো। ঠামমা আদর করে চুমু খেয়ে বংশের প্রথম নাতীর গলায় পরালেন-সোনার হার ; দাদু হাসতে হাসতে মজা করেই দাদুভাইর ছোট্ট হাতে- ধড়িয়ে দিলেন সোনার কলম। হায় ! নিয়তির কি পরিহাস -ভয়ঙ্কর করুণ পরিনতি, অধমের কলম ঠেলেই-এলে বেলে চললো জীবন; চিরদিনই - অংকে কাঁচা যোগ - বিয়োগের জীবন খাতায় শূ ণ্যে আছি, শ্রাবন মাসে আজ এই বৃ ষ্ঠি রাতে নদীর ধারে শ্মশাণ ঘাটে এখন চিতায় উঠলেই বাঁচি। খুব ধুমধাম করে বনেদি উত্তর কলকাতার উল্লাসে নাচ গান আকাশজুরে  আতশবাজি- চওড়া গোঁপে আতর মেখে ফাড়শ্ডাঁঙার কোচানো ধূতি, মক...

সাঁঝ বেলায় সখীর সাথে

সাঁঝ বেলায় সখীর সাথে শিরোনাম -  সাঁঝ. বেলায় সখীর সাথে কবি - শ্যামল সোম  সখী এই সাঁঝ বেলায় এলে, যখন এলো যাওয়ার সময় এখন ঐ আকাশে আকাশে গোধুলী আলোয়  আলোময়;  চেয়ে দেখ কত রঙ ! আহাহা আল্লাদে আমার আটখানা মন, চার জোরা ঘোড়ায় টা না রথ- ট গ ব গি য়ে ছু ট ছে জোর কদমে, শীতের ছিন্ন শরীর পথের ধুলোয় লুটোয় পায়ে। তোমার খোঁপায় বাঁধা র ক্ত ক র বী গু চ্ছ, পরণে তোমার লাল পাড়  বা স ন্তি রঙা শাড়ী, ডাগর দীঘল চোখে কাজল, মীনা ক্ষ ! ঠোঁ টের কোনে সকৌতুক হৃদয় বেঁধা হাসি, হি হি হা হা হা হাসি, অথচ শ্ব্দ নেই কো ন, কি ন্তু  আমা র কা নে বাজল এসে যেন-। সখী আহা ! তোমার সাজের এত বাহার, কাঁকন জোড়া নিটোল সোনার রঙের হাতে,আমি- তোমার পানে চেয়ে ভাবি এখন কে কার অলংকার, বাজিয়ে নূপুর পায়ে ঝম ঝমিয়ে চললে ঐ রাতের অভিসারে, ফুল বিছানো পথে প্রদীপ নিয়ে হাতে ওড়নায় মুখ ঢেকে স্ব প্নে র ন ন্দি নী ! আজ র ঞ্জ নের সাথে মিলন, নীল পাহাড়ের চূড়োয়। সখী সেই বষার রাতে দূর থেকে ছুঁড়ে দেওয়া তোমর ঐ র ক্ত করবীর এক টি ফুল আমি কুড়িয়ে নিয়ে, বিশু পাগলে মতো শুনিয়ে ছিলেম গান - চোখের জলে নামলো জোয়ার" কখন বা " ওগো দুখ জাগানিয়া ত...

উদীক্ষণ

উদীক্ষণ শিরোনাম   উদীক্ষণ কবি ;  আমিন পরবাসী ক্ষণজন্মা আজ তুমি অগ্নিজলে ডুববে, জানি- পুড়বে তুমি, সাথে পোড়াবে জরাহীন আর্জুনি। ঝরা পাতার স্তুপটি জ্বলবে দাউ-দাউ করে, পোষা নক্ষত্ররা পালিয়ে যাবে বিকট চিৎকারে। কেউ আসবেনা নিকষ আঁধারে জঞ্জাল পেরিয়ে- অগ্নিজলে করবেনা সন্তরণ উদ্ধত বুকে জড়িয়ে। প্রভাতের সঙ্কুচিত দৃষ্টিতে ঝরবে বিদ্রুপের লাভা, ঊর্ধদৃষ্টিতে নিজেই নিজেকে হারাবে, বিলুপ্ত শোভা। পালাচ্ছে তোমার সকল চন্দ্রধর, বৈরী জ্যোৎস্নায়- বলেছিলো যারা আঁকবে তোমার মুখ পদ্মঈষীকায়। কালো ধোয়ায় আচ্ছাদিত নির্মুক্ত নীল আকাশ, প্রকম্পিত ধরণী! কি খুঁজছো? যন্ত্রণার নিকাশ? ভয় পেয়োনা, আসছি, অগ্নিগর্ভেই বুকে জড়াবো। পরিপুষ্ট বক্ষে পুষিত আগুনে আগুন পোড়াব।  কমেন্ট করতে ভুলবেন না কিন্তু ! নিচে দেখুন কমেন্ট বক্স

আনমনা

আনমনা শিরোনাম -  আনমনা কবি - শ্যামল সোম  সই ! ওলো ও সই ! ভাই এবার যে বেলা পরে এলো, কি হলো সই? পা চালিয়ে চল-এবার ঘরে ফেরার পালা- চল চল-জলকে চল সই! এখন আনমনে তাঁরই কথা ভবিস ? আয়, দুজনে আজ দুটো প্রাণের  কথা কই, এবার তুই তোর মনের মানুষ তোর কালা শযামের কথা বল ? তোর মন পাখীটা উড়ছে সে কোন আকাশে ? আবার কি ধ ড়েছে  ছল ? আহাহা লাজে তোর ঐ রাঁঙা মুখের হাসি -আহাহা যেন  চাঁদের কণা ঝরে। তোর একান্ত আপনজনে জোছনরাতে কুঞ্জবনে সে রাতে সোহাগ কেমন করে। ও সই ! তুই দানের কলস ভরা আনতে গিয়ে জল, ভরা নদীর কাছে আছিস বসে, ওঠলো ছুড়ি , ভরা গতর টেনে তোল, জানি তোর হৃদয় বযথায় ট্ল ম ল। হোল কি সই ? ও মা ? কি হয়েছে ? আহা থম থমিয়ে আছে কেন মুখ ? কার সেই বাঁশির সুরের টানে ? কোন সে হলুদ বনে হারিয়ে গেলো সুখ? এখন এই  সাঁঝবিকেলে, নদীর পাড়েএকা বসে বসে তোর এত কান্না ? আহা ঢঙী মেয়ের ঢঙ দেখে -হা-হা-হা-হা-হা-আমার যে ভাই-হাসি মানে না। ওলো সই ওঠ রে এবার, সময়ের সঁপা ঘরে অসময় ফিরলে বাঁধে হ্ট্টগোল, নূপুর ঝুনঝুনিয়ে সই এবার ছম ছমিয়ে চল, যেতে যেতে পথের বাঁকে,সই - ও সই  তোর আপন কথা বল ? কাঁকে ভরা কলষ ন...

অন্তকালে অন্তশয্যা

অন্তকালে অন্তশয্যা শিরোনাম   অন্তকালে অন্তশয্যা কবি - আজিম হোসেন আকাশ আমার অন্তকালে অন্তশয্যা দিও তোমরা বিছিয়ে; চার বেহারায় উঠব আমি দিও আতর খুশবো ছিটিয়ে। অন্তযাত্রায় ফেল না আর মিছে শুধু নোনাজল; আসব না আর ফিরে কভু বৃথাই যাবে আঁখিজল। অন্তসাজে যাবো আমি সাদা কাফন জড়িয়ে; অশ্র মুছে দাওগো বিদায় অন্তর্দহন নিভিয়ে। অন্তদর্শন দেখবে তোমরা শোকাহত হৃদয়ে; দেখবে না আর আমায় কভু দুই দিনের এই ভুবনে। অন্ত নিদ্রায় নিদ্রা যাব অন্ধকার এক কুটিরে; কেউ রবে না এই ধরাতে সময় যখন ফুরাবে।  কমেন্ট করতে ভুলবেন না কিন্তু ! নিচে দেখুন কমেন্ট বক্স