সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

kobita লেবেল থাকা পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

নির্মল ভালবাসা

শিরোনাম : নির্মল ভালবাসা                      --- হেমন্ত রড্রিক্স  সমুদ্রের অতল গহ্বরে  শেওঁলা গুলো দিনে দিনে বৃদ্ধি পায়,  বুঝে উঠা হয়নি কখন মনের গভীরে বেসামাল ভালবাসা তেমনই দানা বাঁধলো ?  কেরোসিন পিদিম মিটি মিটি আলো দেয় মৃদু মলয় পরশে সে যেন আহ্লাদিত। তোমার মুখাবয়ব আলো আধারে  সে এক ভিন্ন জগত সৃষ্টিতে নিমগ্ন ।  মেঘের গর্জে ওঠাকে ভয় পেওনা  দ্যুতিময় ঘর্ষণের পরক্ষণেই বর্ষিত ধারা । শীতল বায়ু বহে সমান্তরাল । ধুয়ে মুছে শুভ্র সুশীল ধরাতল।  দীনতা, অসৌন্দর্য ক্ষণস্থায়ী দৃশ্যতই  সত্যি প্রেমের গভীরতা অপরিমেয় । বিশ্বাস, সমঝোতা যার মজবুত খুঁটি ।  মরণোত্তর তাজমহল নয়, জীবদ্দশায় হাতে হাত রেখে চলার  অঙ্গীকারই "নির্মল ভালবাসা"।  (সেপ্টেম্বর তিরিশ  সিনসিনিটী  বিমান বন্দর ওহাইও, আমেরিকা  - সকাল নয়টা ।) ( কমেন্ট করতে ভুলবেন না কিন্তু ! নিচে দেখুন কমেন্ট বক্স)

খড়কুটো – দুই

খড়কুটো – দুই শিরোনাম - খড়কুটো – দুই বিকাশ দাস মাথার উপর আকাশ তার চেয়ে বেশি প্রয়োজন ঘরলগ্ন মাটি দেহ জুড়ানো দু'দন্ড শান্তি নামিয়ে ব্যক্তিগত বোঝার দায় পায়ের নিচে । মাথার উপর ঈশ্বর তার চেয়ে বেশি প্রয়োজন শ্রমলগ্ন হাত পেট জুড়ানো দু' মুঠো ভাত সারিয়ে রক্তজলের উৎস সময়ের উদ্ভিদে । মাথার উপর ঐশ্বর্য তার চেয়ে বেশি প্রয়োজন দেহলগ্ন বৃষ্টি ঢেঁকি জুড়ানো দু'ধামা ধান মাখিয়ে আপন্ন অধিকার সংঘাতের ঘামে । (মুম্বাই)    কমেন্ট করতে ভুলবেন না কিন্তু ! নিচে দেখুন কমেন্ট বক্স

আমি একটুখানি দাঁড়াব

শিরোনাম : আমি একটুখানি দাঁড়াব        > সৈয়দ শামসুল হক < আমি একটুখানি দাঁড়াব আমি একটুখানি দাঁড়াব এবং দাঁড়িয়ে চলে যাব; শুধু একটু থেমেই আমি আবার এগিয়ে যাব; না, আমি থেকে যেতে আসিনি; এ আমার গন্তব্য নয়; আমি এই একটুখানি দাঁড়িয়েই এখান থেকে চলে যাব। আমি চলে যাব তোমাদের এই শহরের ভেতর দিয়ে খুব তাড়াতাড়ি এর মার্চপাস্টের যে সমীকরণ এবং এর হেলিকপ্টারের যে চংক্রমণ, তার তল দিয়ে তড়িঘড়ি; আমি চলে যাব তোমাদের কমার্সিয়াল ব্লকগুলোর জানালা থেকে অনবরত যে বমন সেই টিকার-টেপের নিচ দিয়ে এক্ষুনি; আমি চলে যাব তোমাদের কম্পিউটারগুলোর ভেতরে যে বায়ো-ডাটার সংরক্ষণ তার পলকহীন চোখ এড়িয়ে অবিলম্বে; আমি চলে যাব যেমন আমি যাচ্ছিলাম আমার গন্তব্যের দিকে ধীরে ধীরে বহুকাল ধরে আমি একটি দু’টি তিনটি প্রজন্ম ধরে। আমি কথা দিচ্ছি তোমাদের কোনো রমণীকে আমি চুম্বন করব না; আমি কথা দিচ্ছি তোমাদের কোনো সন্তানকে আমি কোলে করব না; এবং কথা দিচ্ছি তোমাদের এপার্টমেন্টের জন্যে আমি দরখাস্ত করব না, তোমাদের ব্যাংক থেকে আমি ঋণ গ্রহণ করব না, তোমাদের শা...

গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেসের ‘লা মারিওনেতা

গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেসের ‘লা মারিওনেতা  শিরোনাম   নাচের পুতুল    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস ঈশ্বর যদি ক্ষণিকের জন্য ভুলে যেতেন আমার পুত্তলিকা পরিচয় এবং আমাকে দিতেন এক খণ্ড জীবন, যথাসম্ভব আমার ভাবনার সবটুকু থাকতো অব্যক্তই, তবে যেটুকু বলতাম তার পুরোটা ভাবতাম নিশ্চয়ই। আমি তো জৌলুসে মজে বস্তুর মূল্য ধার্য করি না ওগুলো কতটা অর্থবহ, আমার কাছে বিবেচ্য তাই। আমি বরং ঘুমুবো অল্পস্বল্প, স্বপ্ন দেখবো বেশী। আমি তো জানি প্রতিবার পলক বুঁজলেই আমরা হারিয়ে ফেলি আলোকের ষাটটি সেকেণ্ড। যখন অন্যেরা প্রতীক্ষারত, আমি হেঁটে যাবো সেইক্ষণে; আমি হেঁটে বেড়াবো অন্যেরা যখন অচেতন গভীর ঘুমে। সবার কথার শ্রোতা হবো আমি, আর কি করেই বা আমি একটি সুস্বাদু চকলেট আইসক্রিমের আস্বাদ নিতে পারি। যদি ঈশ্বর এক টুকরো জীবন ছুঁড়ে দিতেন আমার দিকে, নিতান্তই সাধারণ হতো আমার পরিধেয়, নিজেকে নিক্ষেপ করতাম সূর্যতলে, শুধু দেহই তো নয়, উন্মুক্ত করতাম আমার আত্মাকে-ও। ওহ! আমার ঈশ্বর, যদি হৃদয়াধিকারী হতাম, তবে লিখে রাখতাম বরফের চাঁইয়ে ঘৃণা যত, প্রহর যেতাম গুনে কখন সূর্য হবে আবির্ভূত। আমি ভ্যানগগের স্ব...

গ্রীষ্ম থেকে বসন্ত কাটে তোমার অপেক্ষায়

শিরোনাম   গ্রীষ্ম থেকে বসন্ত কাটে তোমার অপেক্ষায় গ্রীষ্ম থেকে বসন্ত কাটে তোমার অপেক্ষায় কবি ;  আমিন পরবাসী সময়ের স্রোতের ভেলায় আধখেঁচড়া বছরের শেষ সূর্যটিও অস্তে যাচ্ছে অনাবৃষ্টির যাতনে । ড্যাবরা চোখে তাকিয়ে গিলছি ব্যাঙ্গমীর দুর্বাক্য। তোমার ক্রোধানলে ছোঁড়া শেষ প্রতিজ্ঞাবাণে আজ বুঝি ধুঁলোয় লুটোতেই হবে চিরন্তনে। দিগন্তরেখা ছোঁয়ার মত বিস্ময়কর প্রত্যাশায় লালিত - কোনো এক ঋতুতে তোমার প্রত্যাগমনের উন্মাদ স্বপ্ন, কালবৈশাখের মেঘাচ্ছন্ন আকাশ, সাথে ঝড়ের তান্ডব জীবনাশঙ্কা ভুলে অনিমেষে দেখেছি তোমার চলে যাওয়া। ছন্দে-বন্দে গ্রীষ্ম কাটিয়েছি অক্ষুব্ধ চিত্তে, অস্পন্দিত হৃদয়ের উপাসনা ছিলো বর্ষার তরে, খরতাপের যন্ত্রণায় অভিমান ভুলে তুমি আসবে কদম্ব তলে হৃদয় ভেজাবে আষাঢ়ের জলে, ঝিরিঝিরি বৃষ্টির সুরের ঝংকারে মুছে যাবে যত নির্লিপ্ততা। শরৎ-এর মেঘহীন জাজ্বল্য-মান নগ্ন ক্যানভাসে অশ্রু রঙে এঁকে ছিলাম চন্দ্রামুখির পুষ্পাহাসি। শ্যাওলা আবৃত বুক ছেঁদ করে বালি-হাঁসের ডানায় চঁড়ে, ভেবেছিলাম তুমি আসবে কাশফুল হাতে কিংবা হাসনাহেনা। অপার্থিব শূন্যতার ক্লেশে শরৎ মুখ লুকায় হেমন্তের চাঁদরে। ন...

পচে যাওয়া সভ্যতা

পচে যাওয়া সভ্যতা পচে যাওয়া সভ্যতা ………………………………. পুরনো ক্ষতটা আবারো জাগিয়ে সভ্যতা মাথা নুয়ে পড়ে বেগানা কুমারী মেয়ের মত জীর্ণতার প্রকোষ্ঠে মানবতার লাল-নীল বাতিগুলো সভ্যতার পদতলে পদদলিত হয়ে জবরদখল করে নেয় সমস্ত মনুষ্যত্ব অসভ্য পূজারী তবুও নিষিদ্ধ নারীর গল্পের আখ্যানে রাত-দিন মাতোয়ারা হয়ে থাকে। ক্ষমতাবান পুরুষ তুমি কতদিন ঘুমাবে , নারীর যৌবনের প্রতি আর কত অর্ঘ্য ঢেলে স্বমেহনে মিটাবে বিপুল ক্ষুধা,  সভ্যতার পোশাক আরও কত লম্বা হলে অষ্টাদশী প্রেমিকা তোমার নির্ভয়ে কাছে আসবে রক্তচোষা বাদুরের মত কত রক্ত নিবে শুষে , সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে থাকা অনিয়ম , সভ্যতার নামে অসভ্যতা আধুনিক হওয়ার নামে আরও কত নগ্নতা দেখাবে তুমি। কচুরিপানার মত ভেসে যাবে তোমার এ অস্বাভাবিক সভ্যতা , ঝরে পড়বে অবক্ষয়ের ধুসর পোশাক ঝরা পাতার মত শুধু সময়ের অপেক্ষা ……………… । কবি ; মোকসেদুল ইসলাম

আমি এক সৌন্দর্য রাক্ষস : ফালগুনী রায়

শিরোনাম   আমি এক সৌন্দর্য রাক্ষস                             আমি এক সৌন্দর্য রাক্ষস : ফালগুনী রায় প্রজাপতির চিত্রল ডানা দেখে বিরহ থেকে বিবাহের দিকে চলে যায় মানবসম্প্রদায় — আমি এক সৌন্দর্যরাক্ষস ভেঙে দিয়েছি প্রজাপতির গন্ধসন্ধানী শুঁড় আমার নিজের কোনো বিশ্বাস নেই কাউর ওপর অলস বদ্মাস আমি মাঝে মাঝে বেশ্যার নাঙ হয়ে জীবনযাপনের কথা ভাবি যখন মদের নেশা কেটে আসে আর বন্ধুদের উল্লাস ইআর্কির ভেতর বসে টের পাই ব্যর্থ প্রেম চেয়ে দেখি পূর্ণিমা-চাঁদের ভেতর জ্বলন্ত চিতা এখন আমি মর্গের ড্রয়ারে শুয়ে আছি এক মৃতদেহ আমার জ্যান্ত শরীর নিয়ে চলে গেছে তার শাঁখাভাঙা বিধবার ঋতুরক্ত ন্যাকড়ার কাছে মর্গের ড্রয়ারে শুয়ে আছি — চিতাকাঠ শুয়ে আছে বৃক্ষের ভেতর প্রেম নেই প্রসূতিসদনে নেই আসন্নপ্রসবা স্ত্রী মর্গের ড্রয়ারে শুয়ে আছি এভাবেই রয়ে গেছি কেটে যায় দিন রাত বজ্রপাত অনাবৃষ্টি কত বালিকার মসৃণ বুকে গজিয়ে ওঠল মাংসঢিবি কত কুমারীর গর্ভসঞ্চার গর্ভপাত — সত্যজিতের দেশ থেকে লাভ ইন টোকিও চলে গ্যাল পূর্ব আফরিকায় ...

একটি প্রদীপ

শিরোনাম  একটি প্রদীপ                                         kabir suman -ekti prodeep কাবির সুমন শহরের আকাশে যে তারা এক আঁধারবিন্দু সংখ্যালঘুর মতো সে লুকোয় গুরুছায়া নিয়ে এ দেশে সে মুসলিম ও দেশে বৌদ্ধ হিন্দু খ্রীষ্টান দু’দিকেই ছায়াপথে রয়েছে লুকিয়ে। জীবনসন্ধে এল, তাকে বলি লুকিয়ে থেকো না সংখ্যালঘুর মতো সংখ্যাগুরুও চলে যায় জীবনের ইন্ধন ফুরিয়ে যাবেই একদিন অমোঘ মৃত্যু আসে, লঘু গুরু বেবাক মেলায়। নামে কী বা আসে যায়, সংখ্যাগুরুর গুরুবাণী অথচ ওখানে মরে কাবেরী, এখানে আয়েষা কার্বনে গড়া দেহ পুড়ে যায় একই আগুনে তারপরে হয় ভোট, গণতন্ত্রের চেনা ভাষা। বারবার হবে খুন লঘুরা যে গুরুদের হাতে বারবার পুড়ে যাবে যে ঘর আগুনে মানুষের সে ঘরে সকাল হবে আতঙ্করাত চলে গেলে কিছুটা সবুর করো ফুরোবে আগুন সূর্যের। সকাল হবে না আর হিলিয়াম শেষ হয়ে গেলে ধর্ম বা রাজনীতি কোথাও জ্বালবে না আগুন তার আগে জ্বেলে দাও প্রিয়তমা একটি প্রদীপ একটু মাটির দেহে একটি শিখার গুনগুন।

খুকিকে ফেরত দিয়ো - শাওন কুন্ডু

খুকিকে ফেরত দিয়ো শিরোনাম :  খুকিকে ফেরত দিয়ো কবি :  শাওন কুন্ডু ইচ্ছে হয় - হয় বৈকি - ইচ্ছের জয়ঢাক বেজে যায় রাতদিন জলদগম্ভীর সেই আধো-আধো বুলি - স্নেহের ডাক শান্ত বাতাস যেন সাহসা অস্থির আলুপোস্ত -মাছ-মুসুরীর ডাল আমি খাইয়ে দিচ্ছি সোনা লংকা আছে - বাব্বা বড্ড ঝাল মাখিয়ে দিচ্ছি এবার না বলো না মনে পড়ে - মনে পড়ে ... দিগন্ত ব্যাপী তেড়ে আসে ঝড়ের সংকেত কেঁপে ওঠে সম্পর্কের সাঁকো নড়বড়ে জলাভাবে চৌচির ফসলের ক্ষেত সন্ধে থেকে শুরু আবার কান্না ..... শুধুমাত্র দুধটুকু খেয়ে নাও সোনা তারপর ঘুমু যাবে নীল পরিদের দেশ ফুল-ঝর্ণা-পাখি বর্ণালি আবেশ ...... আদালত, তুমি নাকি জড় নও, দারুন সক্রিয় কিছুই চাই না - দিও না - শুধু খুকিকে ফেরত দিয়ো ...

পুরুষের দাবী আদায়ের এজেন্ডা নেই , আছে কিছু দীর্ঘশ্বাস

শিরোনাম   :  পুরুষের  দাবী আদায়ের এজেন্ডা নেই , আছে কিছু দীর্ঘশ্বাস কবি ; নাগরিক কবিয়াল NK তোমার অশ্রু বিলাপে অপচয়ের জন্যে নয়, জানি , ভেঙ্গে পড়া চলবে না,বয়স্ক পুরুষের চোখে অশ্রু মানায় না , জানি , হতে হবে কর্মে বীর, ধর্মে  ধীর আর সংকটে স্থির , জানি, জানি পাথর আচ্ছাদনে অটল অবিচল হৃদয় যার, সেই সঠিক পুরুষ ,   প্রতিদিন পাহাড় খুদে কুড়োলে জঙ্গল চিঁরে,  কোদালে জমি খুঁড়ে ফসল ফলিয়ে মাঠ থেকে গরু তাড়িয়ে ফিরে পরিবারের নালিশ অনুযোগ, রাতের বিছানায় শরীর নিঙড়ানো পৌরুষের পরিক্ষায় বসা , তারপর পরিবার প্রধান সুলভ ইন্দ্রিয় সচেতন রেখে কিছু ক্ষণের অচেতনতা , এ সবি পুরুষের কাছে পৃথিবীর বহাল কৃত পরম দায়িত্ব, জানি , কিন্তু ক্লান্ত আমার চরন যখন এলোমেলো হয়ে আসে, পেশী যখন প্রবিবাদ জানায়, অনেক জমানো অশ্রু যখন চোখের কোল বেয়ে অজান্তে ঝরে পড়ে দু এক ফোঁটা, ছেলেবেলার মুক্ত ঘুড়ীর মতো জীবন মনে পড়ে যায় বুকটা হাহা করে ওঠে, চলার পথে যদি কোন বন্ধুর প্রিয় মুখ হঠাৎ উদয় হয় , তখন বড্ড ইচ্ছে হয় চলে যাই ওর সাথে কথা বলি অনন্ত কাল , কিন্তু উভয়ের সামাজিক পুরুষ জ...

ছাড়পত্র-সুকান্ত ভট্টাচার্য

শিরোনাম ; ছাড়পত্র           - সুকান্ত ভট্টাচার্য   যে শিশু ভূমিষ্ঠ হল আজ রাত্রে তার মুখে খবর পেলুম: সে পেয়েছে ছাড়পত্র এক, নতুন বিশ্বের দ্বারে তাই ব্যক্ত করে অধিকার জন্মমাত্র সুতীব্র চীৎকারে। খর্বদেহ নিঃসহায়, তবু তার মুষ্টিবদ্ধ হাত উত্তোলিত, উদ্ভাসিত কী এক দুর্বোধ্য প্রতিজ্ঞায়। সে ভাষা বোঝে না কেউ, কেউ হাসে, কেউ করে মৃদু তিরস্কার। আমি কিন্তু মনে মনে বুঝেছি সে ভাষা পেয়েছি নতুন চিঠি আসন্ন যুগের- পরিচয়-পত্র পড়ি ভূমিষ্ঠ শিশুর অস্পষ্ট কুয়াশাভরা চোখে। এসেছে নতুন শিশু, তাকে ছেড়ে দিতে হবে স্থান; জীর্ণ পৃথিবীতে ব্যর্থ, মৃত আর ধ্বংসস্তূপ-পিঠে। চলে যেতে হবে আমাদের। চলে যাব- তবু আজ যতক্ষণ দেহে আছে প্রাণ প্রাণপণে পৃথিবীর সরাব জঞ্জাল, এ বিশ্বকে এ-শিশুর বাসযোগ্য ক'রে যাব আমি- নবজাতকের কাছে এ আমার দৃঢ় অঙ্গীকার। অবশেষে সব কাজ সেরে, আমার দেহের রক্তে নতুন শিশুকে করে যাব আশীর্বাদ, তারপর হব ইতিহাস।।

Afim Tobuyo Valo, Dhormo She to Hemloc- Rudra Mohammad Shahidullah

শিরোনাম ; আফিম তবুও ভালো, ধর্ম সে তো হেমলক বিষ যেমন রক্তের মধ্যে জন্ম নেয় সোনালি অসুখ       তারপর ফুটে ওঠে ত্বকে মাংসে বীভৎস ক্ষরতা। জাতির শরীরে আজ তেম্নি দ্যাখো দুরারোগ্য ব্যাধি ধর্মান্ধ পিশাচ আর পরকাল ব্যবসায়ি রূপে ক্রমশঃ উঠছে ফুটে ক্ষয়রোগ, রোগের প্রকোপ একদার অন্ধকারে ধর্ম এনে দিয়েছিল আলো, আজ তার কংকালের হাড় আর পঁচা মাংসগুলো ফেরি কোরে ফেরে কিছু স্বার্থাণ্বেষী ফাউল মানুষ- সৃষ্টির অজানা অংশ পূর্ণ করে গালগল্প দিয়ে। আফিম তবুও ভালো, ধর্ম সে তো হেমলক বিষ। ধর্মান্ধের ধর্ম নেই, আছে লোভ, ঘৃণ্য চতুরতা, মানুষের পৃথিবীকে শত খণ্ডে বিভক্ত করেছে তারা টিকিয়ে রেখেছে শ্রেণীভেদ ঈশ্বরের নামে। ঈশ্বরের নামে তারা অনাচার করেছে জায়েজ। হা অন্ধতা! হা মুর্খামি! কতোদূর কোথায় ঈশ্বর! অজানা শক্তির নামে হত্যাযজ্ঞ কতো রক্তপাত, কত যে নির্মম ঝড় বয়ে গেল হাজার বছরে! কোন্ সেই বেহেস্তের হুর আর তহুরা শরাব? অন্তহীন যৌনাচারে নিমজ্জিত অনন্ত সময়? যার লোভে মানুষও হয়ে যায় পশুর অধম। আর কোন দোজখ বা আছে এর চেয়ে ভয়াবহ ক্ষুধার আগুন সে কি হাবিয়ার চেয়ে খুব কম? সে কি রৌরবের চেয়ে নম্র কোন নরোম আগুন? ইহ...

ভবদীয়

শিরোনাম :  ভবদীয়   কবি গোলাম মাসুম (জিকো) জলে ছুড়ে ফেললে  নদীতে ভাসাবো শরীর - নদীতে ভাসবো নদীতে ছুড়ে ফেললে সমুদ্রে ভাসাবো শরীর - নীল জলে ভাসবো গৃহছাড়া করলে থাকবো অরণ্য আশ্রয়ে, ডালে ডালে ডাল কাটলে শিকড়ে  শিকড় উপড়ে ফেললে মৃত্তিকা আশ্রয়ে  তারপর পোকা থেকে পোকা  হাত এবং হাত, পা থেকে পা নবজাতক যদি হই, হামাগুরি দিয়ে হলেও তোমার কাছে পৌঁছাবো এক পৃথিবী আলোর সন্ধানে  জোনাকী পোকার পিছে ঘুরি অবিরাম এক পৃথিবী সবুজ দেখবো বলে  শেওলা পড়া দিঘীর দিকে তাকিয়ে থাকি পলকহীন  আজ যদি বিমুখ করতে চাও - চাইবো চুম্বন  আজ যদি অবহেলা করতে চাও - চাইবো আলিঙ্গন  পথে পথে হাটবো তবুও তোমার কাছে পৌঁছাবো রোদে রোদে হাটবো তবুও তোমার কাছে পৌঁছাবো জড়িয়ে, চাইবো চুম্বন এবং কাশবন ১৯৯৯/২/৫ @ আরামবাগ, ঢাকা www,zics.me

সূর্য হয়ে উঠতে -parvez sazzad

শিরোনা ম

surjo hoye uthte/সূর্য হয়ে উঠতে

শিরোনাম :  সূর্য হয়ে উঠতে কোনও একদিন সূর্য হয়ে উঠবো বলে , ৩৬ বছর সলতের নিভু নিভু আগুন বাঁচিয়ে রেখেছি । কোনও একদিন সূর্য হয়ে উঠবো বলে, অপমান ,অপবাদ সহ্য করেছি এতোগুলো বছর । নাম ঠিকানাহীন মানুষের সমুদ্রে ডুবুরীর মতো গোপনে , বঞ্চনা আর ধিক্কার ভুল নামে ডাকা সহ্য করেছি , প্রানপ্রিয় মানুষগুলোর মুখের দিকে ভালো করে চাইনি । তোমাদের পদাঘাতে ভুল ভেঙ্গে গেল আজ , বুঝিবা সম্বিত ফিরে পেল বেহুঁশ মাতাল কোনও । একদিন সূর্য হয়ে উঠবো বলে আর সাধনায় মগ্ন থাকবনা , তোমাদের কাছে দাবী নিয়ে আর কোনও দিন মুখোমুখি হবনা , আমি কবর খানায় মৃত সঙ্গীর সাথে ফসফরাসের রহস্যময় আলো হয়ে যাবো ।   কোনও দিন আমার কবরের পাশ দিয়ে যাবার সময় , ভয়ে নিজেকে গুঁটিয়ে নিওনা , ভূত আমি হবনা , অদ্ভুত সেই ফসফরাসের আলেয়ায় তুমি প্রেম বিরহ খুঁজে পাবে , বিদ্রোহ ,ক্ষোভ ,প্রতীবাদ খুঁজে পাবে , কবির মৃত্যু হতে পারে ,কবিতার না । pasa/112014

মুখরিত মর্মমূল - রুদ্র মোহাম্মদ শহিদুল্লাহ

শিরোনাম

এসো

এসো , আমাদের প্রমোদ মেলায় তুমিও নিমন্ত্রিত , কি চাও বল ,কি দিতে পারি তোমায়? মদিরা , ঘাস পুশ,অথবা বোতলের তরল ওষুধ? নাকি পবিত্র পরিবেশ চাও ? মসজিদ ,মন্দির অথবা চার্চের মতো শুদ্ধ পরিবেশ? যদি চাও পেতে পার নির্ভেজাল কাম