সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

azim hossain akash লেবেল থাকা পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

কবিতারা মৃতপ্রায়

কবিতারা মৃতপ্রায় শিরোনাম   কবিতারা মৃতপ্রায় আজিম আকাশ বড় হতাশায় মানবজমিন কেঁপে উঠে সমকালীন কবিতার অদৃশ্য ভূমিকম্পে, এক আকাশ কালো মেঘের আড়ালে হারিয়ে যাচ্ছে আজ কবিতার পাঠক। উৎফুল্ল হৃদয়ে, নূতন কাব্যের ঘ্রাণে- পৃষ্ঠার ভাঁজে ভাঁজে, আজ আর কেউ খুঁজে না কোন কাঙ্খিত কবিতা। ডিজিটাল প্রযুক্তির অনলাইন ফ্রি সংস্করণ তথা বহুমাত্রিক টাইমপাস বিনোদনের- যাঁতাকলে, কেবলই পিষ্ট হতে চলেছে প্রিন্ট মিডিয়ার সাবেক পাঠকবৃন্দ। তবে কী এভাবেই পিষ্ট হতে হতে নিঃশেষে বিভাজ্য হবে অবশেষে? তিল তিল করে হৃদয়ভূমে সঞ্চিত সাহিত্যের প্রতি নিগূঢ় ভালোবাসায়- তবে কী আজ শুধু অবমাননাই প্রাপ্য? মিথ্যে সৃজনশীলতার ক্যানভাসে জেগে ওঠা অজস্র  প্রকাশনাগুলো, আজ আর মননে সৃজন করে না- নজরুল কিংবা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। ডিজিটাল ফরমূলার রমরমা ধ্যাঁচে প্রকাশনাগুলো আজ ব্যতিব্যস্ত- বইমেলা কেন্দ্রিক বাণিজ্যিক মোহে। বছরজুড়ে আজ আর হয় না তেমন তরুণ কবির নতুন নতুন কাব্যের- কোন তেজোদীপ্ত মোড়ক উন্মোচন, কেবলমাত্র একুশ এলেই প্রকাশনাগুলোর হাকডাক দিয়ে কসরত চলে বই প্রকাশের, হরহামেশাই সূক্ষাতিসূক্ষ যাচাই-বাছাইহীন ভুরি...

একটি মেয়ে

একটি মেয়ে শিরোনাম   একটি মেয়ে কবি   -  আজিম আকাশ একটি মেয়ে কালো বলে করো না তো হেলা, কালোর মাঝে খুঁজে বেড়াও সৃষ্টি সুখের মেলা। একটি মেয়ে আন্ধা বলে গাল দিও না কভু, সপ্ত আকাশ কেঁপে উঠে নাখোশ হবেন প্রভু। একটি মেয়ে রূপের দিকে হলেও একটু কালো, ভীষণ আবেগ জড়িতে তবু বাসতে পারেন ভালো। একটি মেয়ে সকল গুণের না হোক তত গুণী, ভালবাসা দিয়ে এসো স্বপ্ন তাদের বুনি।  কমেন্ট করতে ভুলবেন না কিন্তু ! নিচে দেখুন কমেন্ট বক্স

টাপুর টুপুর বৃষ্টি

শিরোনাম   টাপুর টুপুর বৃষ্টি টাপুর টুপুর বৃষ্টি কবি - আজিম আকাশ টাপুর টুপুর বৃষ্টি পড়ে ঘরের চালে যখন, হাত বাড়িয়ে বৃষ্টি ছুঁতে মধুর লাগে তখন। দুয়ার খুলে সুদূর পানে ছড়ায় যখন আঁখি, স্মৃতির পাতায় দিনের ছবি বন্দি করে রাখি। বাদল দিনে ঘরে বসে থাকতে ভাল লাগে, সপ্ত রঙের স্বপ্নগুলো মনের মাঝে জাগে। সূর্যটাকে যায় না দেখা এমন মধুর বেলায়, সময়গুলো পার হয়ে যায় এমন করে হেলায়।  কমেন্ট করতে ভুলবেন না কিন্তু ! নিচে দেখুন কমেন্ট বক্স

একটি পাখি

একটি পাখি শিরোনাম   একটি পাখি কবি  -  আজিম আকাশ একটি পাখি গাছে ডালে একা বসে কাঁদছিল, তাইনা দেখে খোকন সোনা কী যেন কী ভাবছিল! দৌড়ে গিয়ে খোকন সোনা বাবা-মাকে ডাকছিল, আপন মনে বাবা-মাও পাখিটা-কে দেখছিল। খোকার মনে পাখির তরে অনেক  মায়া জমছিল, আদর তরে তাইতো খোকা পাখিটা-কে ডাকছিল। কমেন্ট করতে ভুলবেন না কিন্তু ! নিচে দেখুন কমেন্ট বক্স

কিছু আলো কিছু আঁধার

কিছু আলো কিছু আঁধার শিরোনাম  কিছু আলো কিছু আঁধার কবি আজিম হোসেন আকাশ কিছু আলো-কিছু আঁধার তোমার আমার হবে দেখা- হয়তো বা আবার। কিছু কথা-কিছু কবিতা থাক না চিরকাল হৃদয়ে গাঁথা, কিছু সংকীর্ণতা কিছু নীরবতা যেন ভাষাহীন কোন কবিতা। কিছু সুখ-কিছু দুঃখ ক্রমান্বয়ে মানুষের জীবনে আসে; এরই মাঝে স্বপ্নময়তায় মানুষ কখনো বা কাউকে ভালবাসে। কিছু আবেগ-কিছু অনুভূতি চায় স্বপ্নকে আজীবন জয় করতে, তাইতো মানুষ শত দুঃখকে বরণ করে, চায় আমরণ জীবন গড়তে। কিছু হাসি-কিছু কান্না ক্রমাগতভাবে মানুষের জীবনে শতবার দোলা দিয়ে যায়; তাই শত বাঁধার প্রাচীর পেরিয়ে নারীর বাহুডোরে দুঃখ হারায়। কিছু মান-কিছু অভিমান প্রত্যেকের জীবনে চলে নদীর মতই প্রবাহমান; এরি মাঝে সংশোধিত মনে ভালবাসার মধুর স্মৃতিচারণে, করে কল্পনায় তাজমহল নির্মাণ। কিছু হিংসা-কিছু বিদ্বেষ করে তুলে জীবনকে গতিহীন; তাইতো আবেগ তাড়িত হয়ে কখনো বা হয় মানুষ প্রেমহীন। কিছু রোদ-কিছু বৃষ্টি প্রকৃতির নিয়মেই আসে ক্রমাগত; তাই অর্থহীনতার অজুহাতে কারো বা জীবন ভালবাসার কাছে পরাভূত। কিছু নিয়ম-কিছু অনিয়ম চলে রাজনৈতিক গতিধারায় আজীবন; তাই ক্ষমতার মোহে অন্ধ হয়ে কেউ করে পকেট কিংবা পেটন...

সবুজ-শ্যামল

সবুজ-শ্যামল শিরোনাম -  সবুজ-শ্যামল কবি - আজিম হোসেন আকাশ সবুজের তরে এসো আমরা সবাই গ্রামে যাই, আবার আমরা সবুজ-শ্যামল ফিরে পেতে চাই। গ্রামের মায়া ছেড়ে যখন শহরে ছুটে যাই, গ্রামের চেয়ে শান্তি কি আর শহরে খুঁজে পাই! আমরা সবাই শহর পাগল গ্রামকে হেলা করি, গ্রামের জন্য সংগ্রাম করে নাইবা তত লড়ি। গ্রামকে ভালবাসতে হবে সবার সাধ্য মত, তবেই আমরা ফিরে পাব সবুজ বাংলা তত।  কমেন্ট করতে ভুলবেন না কিন্তু ! নিচে দেখুন কমেন্ট বক্স

অন্তকালে অন্তশয্যা

অন্তকালে অন্তশয্যা শিরোনাম   অন্তকালে অন্তশয্যা কবি - আজিম হোসেন আকাশ আমার অন্তকালে অন্তশয্যা দিও তোমরা বিছিয়ে; চার বেহারায় উঠব আমি দিও আতর খুশবো ছিটিয়ে। অন্তযাত্রায় ফেল না আর মিছে শুধু নোনাজল; আসব না আর ফিরে কভু বৃথাই যাবে আঁখিজল। অন্তসাজে যাবো আমি সাদা কাফন জড়িয়ে; অশ্র মুছে দাওগো বিদায় অন্তর্দহন নিভিয়ে। অন্তদর্শন দেখবে তোমরা শোকাহত হৃদয়ে; দেখবে না আর আমায় কভু দুই দিনের এই ভুবনে। অন্ত নিদ্রায় নিদ্রা যাব অন্ধকার এক কুটিরে; কেউ রবে না এই ধরাতে সময় যখন ফুরাবে।  কমেন্ট করতে ভুলবেন না কিন্তু ! নিচে দেখুন কমেন্ট বক্স

আমার যদি

আমার যদি শিরোনাম -  আমার যদি কবি - আজিম হোসেন আকাশ আমার যদি পাখির মত থাকত দুটি ডানা; নীল আকাশে উড়তাম আমি থাকত না আর মানা। যেথায় খুশি সেথায় যেতাম হরেক স্বপ্ন নিয়ে; হরিৎ বৃক্ষের শাখায় যেতাম পাখায় ভর দিয়ে। আকাশটাকে করতাম আমি এক মুহুর্তে জয়; দেশ-বিদেশে ঘুরে তাইতো কাটত মনের ভয়। দিঘির পাড়ের সবুজ বৃক্ষে গড়তাম পাতার বাসা, রোদ-বৃষ্টি-ঝড়-বাদলেও থাকত মনে আশা।  কমেন্ট করতে ভুলবেন না কিন্তু ! নিচে দেখুন কমেন্ট বক্স

চাঁদের হাসি

চাঁদের হাসি শিরোনাম   চাঁদের হাসি কবি ঃ     আজিম হোসেন আকাশ আমার ঘরে চাঁদের হাসি সোনামণির মুখে; হীরের দ্যুতির মত আলো ছড়ায় মহা সুখে। কে বলেছে সুখ নাই-রে এই ধরাতে হায়; অবুঝ শিশুর ঐ আদলে দু:খ নিরুপায়। অধিক সুখের মোহে যারা সদাই থাকে অন্ধ; তাদের তরে সুখ আসে না সুখের দুয়ার বন্ধ। অল্পতে খুব তুষ্ট যারা তারাই বেশী সুখী হয়; চাঁদের মত হাসি দিয়ে দু:খটাকে করো জয়। (উৎসর্গ- আমার সোনামণিদের)   কমেন্ট করতে ভুলবেন না কিন্তু ! নিচে দেখুন কমেন্ট বক্স

খোকন সোনা

খোকন সোনা শিরোনাম   খোকন সোনা কবি ; আজিম হোসেন আকাশ  আকাশ জুড়ে মেঘ জমেছে বৃষ্টি এলো ওই, মাগো তোমার খোকন সোনা ঘরে এলো কই? সাত সকালে বের হয়েছে অল্প কিছু খেয়ে, দুষ্টুমিতে মগ্ন বুঝি খেলার সাথী পেয়ে। পুকুর পাড়ের আম গাছেতে মারল যখন ঢিল, রহিমউদ্দিন দৌড়ে এসে মারল ছুঁড়ে কিল! কেঁদে কেঁদে তোমার ছেলে ফিরল যখন ঘরে, সোহাগেতে জড়িয়ে নিলে জিজ্ঞেস না করে। মাগো আমি ছোট্ট যখন ছিলাম তোমার কোলে, এমনি করে আদর সোহাগ আমায় দিয়েছিলে।   কমেন্ট করতে ভুলবেন না কিন্তু ! নিচে দেখুন কমেন্ট বক্স

সরলতার প্রতিমা

সরলতার প্রতিমা শিরোনাম   সরলতার প্রতিমা কবি ; আজিম হোসেন আকাশ ধরণীর বুকে পৃথিবীর আলো - ছায়ায় যেদিন এসেছিলে তুমি রিক্ত হস্তে , জননীর কোলজুড়ে ছিল রাশি রাশি নীল চাঁদোয়ার কষ্টার্জিত নির্মল হাসি। যে হাসির আড়ালে লুকানো ছিল দশ মাস দশ দিন মাতৃ গর্ভে ধারণ - করার নিদারুণ কষ্টের আহাজারি , কত কষ্ট - কত যন্ত্রনা সয়ে সয়ে স্রষ্টার ইশারায় ভবে সৃজিলেন যিনি ; সৃষ্টির শ্রেষ্ঠত্বের মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত সেইতো জননী তিনি। তিনি বিশ্ব জগতের তথা সৃষ্টির শ্রেষ্ঠতম মহিয়সী এক মানবী - যেন সরলতার এক মূর্ত প্রতিমা ; স্রষ্টার পরে ভক্তি ও শ্রদ্ধাসহ যাকে হৃদয়ে স্থান দেয়া যায় সেইতো মা। পৃথিবীর সমস্ত সরলতা যেন তার দেহের ভান্ডারে সঞ্চিত রাশি রাশি , সন্তানের তরে ধরণীর বুকে তিনি কত কষ্ট - কত লাঞ্ছনা , যন্ত্রনা সয়ে জীবন যুদ্ধে করেন সংগ্রাম আমরণ ; তব মুখে ফোঁটাতে একটু চাঁদের হাসি দু : খকে করেন তিনি সাদরে বরণ। শত কষ্টকে বুকে মাটি চাপা দিয়ে বেঁচে থেকেও যেন জীবন্মৃত শ্মশাণ ; তবু সন্তানের কাছে বিম্বিসার এই ধরার বুকে পায় না ততটুকু সন্মান। এসো মোরা তবে , হাতে হাত রেখে - কাঁধে কাঁধ মিলি...

রঙ-বিরঙের স্বপ্ন

রঙ-বিরঙের স্বপ্ন শিরোনাম   রঙ-বিরঙের স্বপ্ন কবি ; আজিম হোসেন আকাশ কিশোর মোরা- রং-বিরঙের স্বপ্ন নিয়ে ঘুড়ির মত উড়ব, হাওয়ায় হাওয়ায় অতি সুখে সপ্ত আকাশ ঘুরব। কিশোর মোরা- রঙিন আশায় গড়তে জীবন পাঠশালাতে পড়ব, সত্য ন্যায়ের পথটি ধরে সুশীল সমাজ গড়ব। কিশোর মোরা- বাবা-মায়ের আদেশ মত সঠিক পথে চলব, সঠিক পথে চলতে গিয়ে সত্য কথা বলব। কিশোর মোরা- স্বপ্নে রাঙা জীবন নিয়ে দেশের ভালো চাইব, ঐক্য সুরে ভাষার তরে দেশের গান গাইব।  কমেন্ট করতে ভুলবেন না কিন্তু ! নিচে দেখুন কমেন্ট বক্স