সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

মোকসেদুল ইসলাম লেবেল থাকা পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

আমাতে নিবদ্ধ হও

শিরোনাম   আমাতে নিবদ্ধ হও আমাতে নিবদ্ধ হও মোকসেদুল ইসলাম আমার স্বপ্নগুলো কি তোমাকে এখনও স্পর্শ করে আগের মতো। জোছনা রাতে চাঁদের আলো গায়ে মেখে উপলব্ধির স্পর্শে ঝুল বারান্দায় ভুল চোখে এখনও কি আমায় দেখো? এখনও কি তোমার প্রহর কাটে বিলম্বিত আকাশ দেখে মাঝরাতের দুঃখগুলো করে তাড়া পাগলা ঘোড়ার মতো, তোমার মনের ভিতর এখনও কি বিষন্ন ফুল ফোটে নিঝুম হাওয়ায় একলা রাতে ভাঙা টবে। বিষাদের নীলগিরিতে এখনও কি মুখ লুকিয়ে কাঁদো একলা বসে কালের অথৈ গহ্ববরে শহুরে স্বপ্নগুলো আঁতুড় ঘরেই যায় মরে চৈত্রের খরতাপে তৃষিত ছায়ায় শরীরের ভাঁজে ভাঁজে এখনও কি কষ্টের রেখা ফুঠে ওঠে? আমাতে নিবদ্ধ হও মেয়ে মেঘ দূতদের পাঠিয়ে দিব সব দুঃখ শুষে নিতে স্নিগ্ধ ভোরে পাখি হবো, আঁচল ভরে রোদ্দুর দিব এনে।  কমেন্ট করতে ভুলবেন না কিন্তু ! নিচে দেখুন কমেন্ট বক্স

দেবতারা অমানুষ

দেবতারা অমানুষ শিরোনাম   দেবতারা অমানুষ মোকসেদুল ইসলাম ধোঁয়াচ্ছন্ন রাত্রির অন্ধকারভেদ করে বেরিয়ে আসা দেবতার শিশ্ন কাপালিকতন্ত্রের ফাঁদে পড়ে ব্যস্ত হয়ে খুঁজতে থাকে পেলব যৌবন। মুক্তির লোভ দেখিয়ে আগুনের মতো সুন্দরী মেয়ের শরীরের ভাঁজে ভাঁজে খোঁজে অশরীরী সুখ । ঘুঙুরের শব্দ শুনবে বলে নরকাগ্নির মাঝে অতৃপ্ত আত্মার সাথে আদিম উল্লাসে ওঠে মেতে। দেবতার ভয় নেই, সে জানে নরকের অগ্নি তার কিছুই করতে পারবে না। আজকাল দেবতারাও নাকি অমানুষ হয় জৈবিক ক্ষুধার তাড়নায় কল্যাণের আলোয় নয় কামনার আগুনে পুড়ে মারে মানুষ বিশ্বাসের সমুদ্র শুকিয়ে চর হয়েছে বলে কংক্রিটের দেয়ালে মাথা ঠুঁকে মরছে অষ্টাদশীর স্বপ্ন। দেবতার ঘাতক চাহনীতে ক্ষয়ে যাচ্ছে মানবতার অায়ু আত্মা ছিঁড়ে খাবে বলে মাটির পাত্র নিয়ে প্রস্তুত হয়ে আছে আজরাঈল এমন কুসিৎত সুন্দর কান্ড দেখে ঠোঁটে অতৃপ্ত হাসি নিয়ে ঘুরে বেড়ায় শালা অভিশপ্ত মালাউন।  কমেন্ট করতে ভুলবেন না কিন্তু ! নিচে দেখুন কমেন্ট বক্স

কবিতাই সব

কবিতাই সব শিরোনাম   কবিতাই সব                 মোকসেদুল ইসলাম কবিতা তুমি আছো বলেই আজ আমি কবি বেয়াড়া শব্দগুলো খুব সহজেই এখন আমার খাঁচায় বন্দি সারা মস্তিষ্ক জুড়ে তাদের নিয়ে সাপলুডু খেলি। বিষাদগ্রস্ত মলিন চোখে বিশ্বাসের আনাগোনা বাড়ে প্রেয়সীর ভুলে ঘুনে ধরা হৃদয়ে আবার সজীবতা ফিরে আসে। কবিতা তুমি আছো বলে মনের আকাশে ওড়াই স্বপ্নের ঘুড়ি বায়োনারি পজিশনে দেখি আজব পৃথিবী।  কমেন্ট করতে ভুলবেন না কিন্তু ! নিচে দেখুন কমেন্ট বক্স

যে প্রশ্নের উত্তর জানা নেই

যে প্রশ্নের উত্তর জানা নেই শিরোনাম   যে প্রশ্নের উত্তর জানা নেই     মোকসেদুল ইসলাম নীতির চিবুক বেয়ে ঝরে পরে সততা নামক অহমের চোখের পানি জীবনের রোদ্দুর আলুথালু পায়ে এগিয়ে আসে অন্ধকারের দিকে নৈতিকতার দীর্ঘ ইতিহাসে সমস্ত মৌন্যতা আজ আঘাত হানে। নরকাগ্নির অপ্রকৃতস্থ অবস্থা থেকে মুক্তি পাওয়ার আশায় যে করজোড়ে প্রার্থনা করতো সেই মানব আজ সত্যের রক্ত চুষে ফুলে-ফেঁপে উঠছে জোঁকের মত তারপরেও অবিশ্বাসের ঢেকুর তুলে তার পায়ে সেলাম ঠুকি, খুশিতে বগল বাজাই। আমরা যেন আবারও ভ্রুন থেকে ধীরে ধীরে ছোট বাচ্চা হয়ে উঠি হে মানব কবে তুমি মানুষ হবে?   কমেন্ট করতে ভুলবেন না কিন্তু ! নিচে দেখুন কমেন্ট বক্স

সভ্যতার অন্তরালে

শিরোনাম -  সভ্যতার অন্তরালে সভ্যতার অন্তরালে কবি - মোকসেদুল ইসলাম ডাস্টবিনে ছুঁড়ে ফেলা নাগরিক স্মৃতি এখন প্রদর্শিত হয় তোমাদের নগরে , স্বপ্নচুম্বনে বারুদের ধোঁয়ায় ঢেকে যাওয়া লাশের ছবি শোভা পায় বসার ঘরে , তারপরেও তোমরা সভ্যতার মুখোশ পরে বল আমরাই সভ্য। অষ্টাদশী নারীর মাংসল বুকে গেঁথে রাখা স্বপ্ন দেখে তোমাদের ঘুম ভাঙ্গে , সময়ের খাদে সৎকারহীন শিশু ডাস্টবিনে টোঁয়া টোঁয়া শব্দে কেঁদে ওঠে , ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে বল বেজন্মা এ শিশুর বেঁচে থাকার অধিকার নেই , তারপরেও নিজেকে সভ্য বলে দাবী করো। সিঁথির সিঁদুর , চওড়া লাল-পেড়ে শাড়ি পরা গ্রাম্য মেয়ের ভান ধরে তোমরা , একদিনের বাঙ্গালী সাজো ইলিশের মাথা খেয়ে , অথচ তোমরা জানোই না শুধুই কাচা মরিচ দিয়ে পান্তা খাওয়া গ্রাম্য মেয়ের , অনন্য শৈল্পিক পদস্পর্শে অনুর্বর ভূমি উর্বর হয়ে ওঠে।   কমেন্ট করতে ভুলবেন না কিন্তু ! নিচে দেখুন কমেন্ট বক্স

সবকিছুই জাদুঘরে যাবে

সবকিছুই জাদুঘরে যাবে শিরোনাম  -  সবকিছুই জাদুঘরে যাবে কবি  -  মোকসেদুল ইসলাম এখন তো অনেক কিছুই অচল হয়েছে সচল থাকার পরেও হিসেবের খাতা থেকে কবেই হারিয়ে গিয়েছে পাঁচ পয়সা, দশ পয়সা পঁচিশ পয়সা, পঞ্চাশ পয়সারও হিসেব এখন আর কেউ করে না। কিছুদিন পর হয়তো এক টাকার কাগুজে নোটটিকেও জাদুঘরে রাখা হবে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে দেখানো জন্য। এক আনা, চার আনা, ছটাক আর সিকির হিসেব তো ভুলেই গেছে লোকজন ‘দেখ দাদু ঐ গোলের মত যে পয়সাটা দেখছিস সেটা দিয়ে পাঁচটি লজেন্স কিনে খেতাম আমরা’ এভাবেই হয়তো বলবে কোন বুড়োধাম তার আদরের নাতিকে জাদুঘরে নিয়ে গিয়ে কপালের চামড়া আরও ভাঁজ হয়ে যাবে যখন দেখবে এক সময় স্বর্ণের কয়েন, রূপার কয়েন দিয়ে সওদা হতো দেশে। এভাবেই একদিন সবকিছুই জাদুঘরে যাবে…………….. মানুষের পোশাক, নিত্যব্যবহার্য দ্রবাদি, সভ্যতার থালা-বাসন সব…… শুধু তু্মিই আমার পুরনো কবিতায় ইতিহাস হয়ে রবে। কমেন্ট করতে ভুলবেন না কিন্তু ! নিচে দেখুন কমেন্ট বক্স

বেখেয়ালী স্বপ্নরা

শিরোনাম -  বেখেয়ালী স্বপ্নরা কবি - মোকসেদুল ইসলাম নাগরিক ভালোবাসার চাঁদ ডুবে গিয়েছে মেঘের আড়ালে অনেক আগেই,  ব্যস্ত শহরে বিস্ময়ে নিঃশব্দে ঝুলে পড়েছে মানবিক বোধ।  জীবনের স্ক্রীনশটে দেখা ধূসর স্বপ্নগুলো ঝরে পড়ে তারা খসার মত করে,  ফুটওভার ব্রিজে দাঁড়িয়ে থেকে কৃত্রিম আলোয় পথ দেখার চেষ্টা করে পথের টোকাই। অজানার উদ্দেশ্যে পাড়ি জমানো অতিথি পাখির মতই নাগরিক জীবন কাটে, দুরুদুরু বুকে ভাঙ্গা বিশ্বাস নিয়ে তবু দুঃসময়ের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে যায় বাল, ইট-পাথরের এই শহরে এতটুকুও কমেনি বৃষ্টির পরিমাণ শুধু বিদীর্ণ স্বপ্নে মরে যায় সমস্ত আবেগ। তবুও বেখেয়ালী ইচ্ছেরা স্বপ্ন বাঁধে বুকের মাঝ ,  টোকাইয়ের ছেঁড়া বস্তায় কিংবা আবর্জনার স্তুপে। বেখেয়ালী স্বপ্নরা কমেন্ট করতে ভুলবেন না কিন্তু ! নিচে দেখুন কমেন্ট বক্স

কথা দিচ্ছি কেউ জানবে না

শিরোনাম -   কথা দিচ্ছি কেউ জানবে না  কথা দিচ্ছি কেউ জানবে না কবি - মোকসেদুল ইসলাম কথা দিচ্ছি কেউ জানবে না, কেউ দেখবে না কাক-পক্ষীও টের পাবে না তোমার ভালোবাসার সংবাদ। ভালোবাসা শিখব বলেই তোমার দরজায় এসে দাঁড়িয়েছি আমি নস্টালজিক হওয়ার আশায় নয় বাস্তববাদী হব আজ। কেউ জানবে না অনুপুঙ্খ পাঠে পাঠে খসড়া ভালোবাসারা কি করে হৃদয়ে ঠাঁই নেয় কেউ জানবে না এই পথে আনাড়ী কবি হেঁটেছিল প্রেমের দীক্ষা নিবে বলে কথা দিচ্ছি কেউ দেখবে না কচুরিপানার মতো একদিন ভাসিয়ে দেব তোমায় সুখে। কেউ বুঝবে না শুধু তুমি ছাড়া আমার নির্দোষ হৃস্পন্দনের মানে।  কমেন্ট করতে ভুলবেন না কিন্তু ! নিচে দেখুন কমেন্ট বক্স

তুমি চলে যাওয়ার পর

তুমি চলে যাওয়ার পর শিরোনাম   তুমি চলে যাওয়ার পর কবি - মোকসেদুল ইসলাম তুমি চলে যাওয়ার পর বুক পাঁজর বরাবর বেড়ে ওঠা কষ্টের বলিরেখা কেউ দেখেনি কেউ বলেনি তুমি কেমন আছো? মনের যত স্ফীত ব্যথা ভাগ করে নিতে পারিনি কারো সাথে কষ্টের ঝড়ো হাওয়ায় নিভে গেছে যখন সমস্ত সুখের বাতি তখন কেউ আর এগিয়ে আসেনি। তুমি চলে যাওয়ার পর বিরোধী বেদনারা দখলে নিয়েছে হৃদয় তাদের তুমুল আন্দোলনে সুখগুলো এখন নির্বাসিত জীবন যাপনে ব্যস্ত স্মৃতির পোকাদের সাথে তাই এখন নিত্য বসবাস আমার। তুমি চলে যাওয়ার পর অশ্রসিক্ত নির্ঘুম রাত কাটে, ক্লান্ত দুপুরে আনমনে হাঁটি একাকী বিকেলে পাথর চাপা হলুদ ঘাসের মতো কষ্টে কাটে জীবন ভরা বর্ষা ভাসিয়ে নিয়ে যায় আমার সমস্ত অনাগত সুখ। তুমি চলে যাওয়ার পর কেউ বলেনি কেমন আছো, কেমন কষ্টে কাটে দিন?  কমেন্ট করতে ভুলবেন না কিন্তু ! নিচে দেখুন কমেন্ট বক্স

নৈঃশব্দের পূজারী কবি

নৈঃশব্দের পূজারী কবি শিরোনাম  -  নৈঃশব্দের পূজারী কবি কবি -  মোকসেদুল ইসলাম নৈঃশব্দের প্রহর গুনে থাকা রাতের আঁধারে দুঃস্বপ্নের ঘুণপোকারা কুড়ে কুড়ে খায় জীবন মুমূর্ষ মানুষ হয়ে বেঁচে থাকার পরেও কামের লিপ্সা দানব মাথাচাড়া দিয়ে জেগে উঠতে চায় কে বলছে অদক্ষ আনাড়ী ছেলে?  দেখ অন্ধকারেও সে শুনতে পায় অতৃপ্ত আত্মার হাহাকার। নিস্তব্ধ রাতের আকাশে তারা খসার মতই নিশাচর পাখি হয়ে বেড়ানো যুবক এখন প্রহর গোনে বারমাস, জন্মান্ধ হওয়ার পরেও আয়নায় দেখে প্রিয়ার মুখ। নিঃশব্দ বাতাসে ঢেউ তুলে যায় রাতের ঝিঁ ঝিঁ পোকারা আর এদিকে মধ্যরাতের মাতাল আমাকে দেখায় পথের ঠিকানা, রাতের নৈবদ্যতা ভেঙ্গে ঝগড়ায় মেতে উঠি মাতালের সাথে। শন্দের বাঁধ ভেঙ্গে যাক আজ প্রেমের জোয়ারে, সকল নিস্তবব্ধতা ভেঙ্গে কবির উঠোন জুড়ে চুঁইয়ে চুঁইয়ে পড়ুক নীলাভ চাঁদের আলো,  নৈঃশব্দের পূজারী কবির কাছে আত্মসমর্পন করুক নিশুতি রাতের সমস্ত শব্দরা।   কমেন্ট করতে ভুলবেন না কিন্তু ! নিচে দেখুন কমেন্ট বক্স

ঘুড়ি

ঘুড়ি শিরোনাম -  ঘুড়ি কবি - মোকসেদুল ইসলাম তোমার আকাশ নীলে উড়িয়েছি আমার জীবনের লাল ঘুড়ি চৈত্রের পোড়া রোদে পড়ন্ত বিকেল বেলায় নাটাই দিয়েছি ছেড়ে তোমার হাতে অদ্ভুত শব্দে ফরফর করে উড়ে বেড়ানো ঘুড়ি বিপজ্জনক দূরত্বে যাওয়ার আগেই টেনে নিও কাছে। তোমার আকাশে সাদা মেঘের ভেলা প্রজাপতির ওড়াওড়ি আমার আকাশ কালো মেঘে ঢাকা ঝরছে শুধু বারি উড়িয়েছি তাই তোমার আকাশে আমার স্বপ্ন ঘুড়ি। শক্ত হাতে ধরে রেখ নাটাই ছিঁড়ে না যেন সুতো দমকা হাওয়ার বাতাসে উড়ুক মনের মত।  কমেন্ট করতে ভুলবেন না কিন্তু ! নিচে দেখুন কমেন্ট বক্স

এই বুকে সুখ পাবি

এই বুকে সুখ পাবি শিরোনাম   এই বুকে সুখ পাবি কবি মোকসেদুল ইসলাম চল আজ না হয় একটু বন্য হই অন্যরকম আচরণে মাতি মহুয়ার গন্ধে বিবাগী বাতাসে উড়িয়ে দেই শব্দের ভান্ডার জীবন আর সভ্যতাকে ঘিরে বয়ে চলা গল্পের ফাঁকে ফাঁকে বলি দুজনার না বলা কথা। চল আজ আবার শৈশবে ফিরে যাই, বাঁধ ভাঙ্গার আওয়াজ তুলি বন্য হাসির উচ্ছলতায় মাঠ কাঁপিয়ে গোধুলী বেলায় ঘরে ফিরি। কুহকী রাতে জোছনা স্নান শেষে আদিম উম্মাদনায় মেতে উঠি না না বাঁধা দিস না নির্বোধ ভালোবাসা কোন বাঁধা মানে না খুনসুটি ছেড়ে এই বুকে ডুব দিয়ে চুপটি করে থাক বসে তবেই না তুই সুখ পাবি।  কমেন্ট করতে ভুলবেন না কিন্তু ! নিচে দেখুন কমেন্ট বক্স

জল বেশ্যা

শিরোনাম   জল বেশ্যা জল বেশ্যা কবি ; মোকসেদুল ইসলাম আমার অপেক্ষার প্রহর কাটে না আর বিকেলের ছায়ার মতোই দীর্ঘ থেকে দীর্ঘ হয় তবুও জল বেশ্যার দেখা মেলে না। শীতে নয় প্রণয় তৃষ্ণায় কেঁপে ওঠে বিস্ফোরিত ঠোঁট অস্থির হাওয়ায় উড়ে যায় সমস্ত জৈবিক চেতনা জড় পদার্থের মতো ফ্রেমে বন্দি থেকে যায় সব স্বপ্নগুলো। আর এদিকে…….. আঁধার রাতে আদিম লীলায় মেতে ওঠা মানব দিনের বেলায় সন্যাসীর বেশে ঘুরে বেড়ায় আমরা বোকা জনতা অন্ধের হাতি দেখার মতোই তার গুনগান গাই। হায় মানব, এর চেয়ে আমার জল বেশ্যাই ঢের ভালো ভালোবাসা নয় ক্ষুধার অবসানে জল বেশ্যার পথ চেয়ে রই।   কমেন্ট করতে ভুলবেন না কিন্তু ! নিচে দেখুন কমেন্ট বক্স

না

বাংলা কবিতা "না"  শিরোনাম      না         না! খুব সহজেই তুমি বলে দিলে কথাটি অস্ফুট স্বরে যেন বোবা কণ্ঠে বলার পরেও গলা ধরে আসলো না তোমার। অথচ তোমাকে নিয়েই এই আমি নাগরিক কুঞ্জবনে মনের আনন্দে শখের বাগান করেছি ঘুমহীন রাতে পানি ছিটিয়েছি অনবরত তরতাজা রাখার জন্য। সেই তুমি আজ কত সুন্দর বিশ্রি সুরে বলে দিলে না, সম্ভব না ভাবার জন্য একটু সময় না হয় নিতে, অপেক্ষায় থাকতাম আমি দিন…. সপ্তাহ……. মাস……. বছর………… প্রয়োজন হলে যুগের পর যুগ কাটিয়ে দিতাম চন্ডিদাসের মত। আমার হৃদয় ভাঙ্গা ঢেউয়ের আহাজারি এখনও শোননি তুমি আমার শখের বাগান শুকিয়ে এখন হয়েছে মরুভূমি তারপরেও অপেক্ষায় আছি তোমার এই ‘না’ বলা নাটকের শেষ দৃশ্যপট দেখার জন্য। আমি জানি, প্রতিটি নাটকের শেষ দৃশ্যপট একটি জায়গায় শেষ হবে। কবি ঃ  মোকসেদুল ইসলাম সমকালীন কবি ও কবিতা ২০১৪ এর জন্যে নির্বাচিত কবিতা 

পচে যাওয়া সভ্যতা

পচে যাওয়া সভ্যতা পচে যাওয়া সভ্যতা ………………………………. পুরনো ক্ষতটা আবারো জাগিয়ে সভ্যতা মাথা নুয়ে পড়ে বেগানা কুমারী মেয়ের মত জীর্ণতার প্রকোষ্ঠে মানবতার লাল-নীল বাতিগুলো সভ্যতার পদতলে পদদলিত হয়ে জবরদখল করে নেয় সমস্ত মনুষ্যত্ব অসভ্য পূজারী তবুও নিষিদ্ধ নারীর গল্পের আখ্যানে রাত-দিন মাতোয়ারা হয়ে থাকে। ক্ষমতাবান পুরুষ তুমি কতদিন ঘুমাবে , নারীর যৌবনের প্রতি আর কত অর্ঘ্য ঢেলে স্বমেহনে মিটাবে বিপুল ক্ষুধা,  সভ্যতার পোশাক আরও কত লম্বা হলে অষ্টাদশী প্রেমিকা তোমার নির্ভয়ে কাছে আসবে রক্তচোষা বাদুরের মত কত রক্ত নিবে শুষে , সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে থাকা অনিয়ম , সভ্যতার নামে অসভ্যতা আধুনিক হওয়ার নামে আরও কত নগ্নতা দেখাবে তুমি। কচুরিপানার মত ভেসে যাবে তোমার এ অস্বাভাবিক সভ্যতা , ঝরে পড়বে অবক্ষয়ের ধুসর পোশাক ঝরা পাতার মত শুধু সময়ের অপেক্ষা ……………… । কবি ; মোকসেদুল ইসলাম