সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

কামুক

কবিঃ  মোকসেদুল ইসলাম ‘কামুক’ শব্দটি অনেকের কাছেই অশ্লীল শোনায় অথচ এটিই আদিম ক্রীড়ার আমন্ত্রণ অগ্নিগর্ভ যৌবনের সময় তুলে আনে কাব্যিক ব্যঞ্জন। আমাদের শামুকস্বভাব নয় যে চিরকাল গুটিয়ে থাকি রাত গভীর হলেই জ্যামিতিক বোধের খেয়ালে আমরা সবাই কামুক হয়ে উঠি অথচ সবাই জানে আমরা সত্য বলতে প্রচন্ড ভয় পাই।   শিরোনাম কমেন্ট করতে ভুলবেন না কিন্তু ! নিচে দেখুন কমেন্ট বক্স

ভালবেসে সখা

শিরোনামঃ ভালবেসে সখা            পারভেজ সাজ্জাদ   ভালবেসে সখা   চাই না পুরোটা নীল আকাশ ,পারো কি দিতে, তোমার আকাশে ঠাই , কথা দেয়া,কথা নেয়া,চাই না ওসব , শুধু বলি হাত বাড়ালেই যেন পাই , চাইনা সহায় ,তোমার কাছে, মুঠো মুঠো সুখ , পারো যদি ভাগ করে নিও, আমার কিছু দুখ । সখা ভালোবাসা এমনই হয় , ভালোবাসা এমনই হয়   । কিছু কথা বলবো আমি ,কিছুটা শুনব তোমার , কথায় কথায় হবে গান ,হবে রাত্রি ভোঁর, কত কথা তবু জমা রয়ে যাবে , শুধু দুজনার ।। সখা ভালোবাসা এমনই হয় , ভালোবাসা এমনই হয়   । নাহয় জাললেনা প্রদীপ আমার জন্যে, তোমার কবিতায় আধার মুছে এনে দিও রুপালী চাঁদ,   আমার দক্ষিণ জানালায় । দিওনা সাত মণিহার,দামী উপহার   ,উৎসবে নাই বা গেলে নিয়ে, কাঁদতে দিও নীরব আলিঙ্গনে ,তোমার বুকে , আদরের আস্কারায় । সখা ভালোবাসা এমনই হয় , ভালোবাসা এমনই হয়   ।   কমেন্ট করতে ভুলবেন না কিন্তু ! নিচে দেখুন কমেন্ট বক্স

তোকে নিয়ে… এলোমেলো

শিরোনাম - তোকে নিয়ে… এলোমেলো তোকে নিয়ে… এলোমেলো – হাবীব কাশফি নিঃসঙ্গতার সাথে সখ্য গড়েছিলাম ভালোই, তারপর… চোখে মোটা গ্লাসের চশমা রুক্ষ চুলের লুকোচুরি আর তার বন্য হাসির উচ্ছলতা, ভেবেছিলাম তোকে নিয়ে লিখবো কবিতা, এলোমেলো বন্য কবিতা। আগুনঝরা ফাগুনে ঝাপসা চোখে বাসন্তি শাড়ি জড়িয়ে খুজেছিলি আমাকে হাজারো ভীড়ের মাঝে, রঙ্গিন বৈশাখের তপ্ত রৌদ্দুরের নিঃস্বঙ্গতায় হারিয়ে ফেলেছি তোকে হাজারো রঙের ভীড়ে, ভেবেছিলাম তোকে নিয়ে লিখবো আরো একটি কবিতা এলোমেলো রঙ্গিন কবিতা। তোর আঙ্গুলের ফাঁকে আঙ্গুল জড়িয়ে ইচ্ছে ছিলো কাটাবো কতো অলস দুপুর, তুই চেয়েরবি আমার চোখে মোটা গ্লাসের চশমার ফাকে, ভেবেছিলাম তোকে নিয়ে লিখবো একটি কবিতা এলোমেলো অলস দুপুরের কবিতা। একটি বর্ষা পেরিয়ে যায় অঝোর বর্ষনে বিষন্নতার চাদর হয়ে, শরতের স্নিগ্ধ বিকেলে হাটবো কি দুজন আবারো একই ধারে? অচেনা পথের ধুলো মাড়িয়ে আঙ্গুলের ফাকে আঙ্গুল জড়িয়ে, সেই মোটা গ্লাসের চশমা চোখে পাড় হবে কতো শত গোধূলী বেলা। ভেবেছিলাম তোকে নিয়ে লিখবো গোধুলি মাখা একটি কবিতা, শত শত কবিতা এলোমেলো কবিতা কিছু তুচ্ছ কবি...

হৃদয়ের ঋণ – হেলাল হাফিজ

শিরোনাম : হৃদয়ের ঋণ আমার জীবন ভালোবাসাহীন গেলে কলঙ্ক হবে কলঙ্ক হবে তোর, হৃদয়ের ঋণ খুব সামান্য হৃদয়ের ঋণ পেলে বেদনাকে নিয়ে সচ্ছলতার ঘর বাঁধবো নিমেষে। শর্তবিহীন হাত গচ্ছিত রেখে লাজুক দু’হাতে আমি কাটাবো উজাড় যুগলবন্দী হাত অযুত স্বপ্নে। শুনেছি জীবন দামী, একবার আসে, তাকে ভালোবেসে যদি অমার্জনীয় অপরাধ হয় হোক, ইতিহাস দেবে অমরতা নিরবধি আয় মেয়ে গড়ি চারু আনন্দলোক। দেখবো দেখাবো পরস্পরকে খুলে যতো সুখ আর দুঃখের সব দাগ, আয় না পাষাণী একবার পথ ভুলে পরীক্ষা হোক কার কতো অনুরাগ।                       – হেলাল হাফিজ কমেন্ট করতে ভুলবেন না কিন্তু ! নিচে দেখুন কমেন্ট বক্স

প্যারিসের চিঠি

প্যারিসের চিঠি শিরোনাম  : প্যারিসের চিঠি   লতিফুল ইসলাম শিবলী প্রিয় আকাশি, গতকাল ঠিক দুপুরে তোমার চিঠি পয়েছি। খামের উপর নাম ঠিকানা পড়েই চিনতে পেরেছি তোমার হাতের লেখা; ঠিকানা পেলে কিভাবে লেখনি; কতদিন পর ঢাকার চিঠি; তাও তোমার লেখা, ভাবতে পারো আমার অবস্থা?? গতকাল প্যারিসে ঝরেছিলো এ বছরের রেকর্ড ভাঙ্গা তুষারপাত। তামাক ফুরিয়ে গেছে আনতে পারিনি; এই প্রথম আমি অনেকটা সময় নিয়ে ভুলেছিলাম তামাকের গন্ধ। তোমার চিঠিতে পরিবর্তন আর বদলে যাওয়ার সংবাদ; তুমি কষ্ট পেয়ে লিখেছো - রাত্রির ঢাকা এখন নিয়নের স্নিগধতা ছেড়ে নিয়েছে উতকট সোডিয়ামের সজ্জা, আমাদের প্রিয় রমনা রেস্তোরা এখন কালের সাক্ষী, শীতের বইমেলা পরিণত হয়েছে মিনাবাজারে, টি এস সি'র চত্বরে যেন উপ্তপ্ত বৈরুত। বদলে যাওয়া কষ্টের অপর নাম স্বৃতি এখন তাই নিয়ে বুঝি মেতে আছো; এই পরবাসে আমার চোখের সামনেও বদলে যেতে দেখলাম কত সুদুর ইতিহাস- বালির বাধের মতন ভেসে গেল বার্লিন প্রাচীর ... ইংলিস চ্যানেলের তল দিয়ে হুইসেল বাজিয়ে চলছে ট্রেন; ইউরোপের মানচিত্র এখন রুটি হয়ে গেছে, ক্ষিদে পেলেই ছিড়ে ছিড়ে খাও, স্বাধীনতা মানেই যেন উদর পুর্তি...

মনে থাকবে?

শিরোনাম : মনে থাকবে?   আরণ্যক বসু মনে থাকবে? পরের জন্মে বয়স যখন ষোলোই সঠিক আমরা তখন প্রেমে পড়বো মনে থাকবে? বুকের মধ্যে মস্ত বড় ছাদ থাকবে শীতলপাটি বিছিয়ে দেব; সন্ধে হলে বসবো দু'জন। একটা দুটো খসবে তারা হঠাৎ তোমার চোখের পাতায় তারার চোখের জল গড়াবে, কান্ত কবির গান গাইবে তখন আমি চুপটি ক'রে দু'চোখ ভ'রে থাকবো চেয়ে... মনে থাকবে? এই জন্মের দূরত্বটা পরের জন্মে চুকিয়ে দেব এই জন্মের চুলের গন্ধ পরের জন্মে থাকে যেন এই জন্মের মাতাল চাওয়া পরের জন্মে থাকে যেন মনে থাকবে? আমি হবো উড়নচন্ডি এবং খানিক উস্কোখুস্কো এই জন্মের পারিপাট্য সবার আগে ঘুচিয়ে দেব তুমি কাঁদলে গভীর সুখে এক নিমেষে সবটুকু জল শুষে নেব মনে থাকবে? পরের জন্মে কবি হবো তোমায় নিয়ে হাজারখানেক গান বাঁধবো। তোমার অমন ওষ্ঠ নিয়ে, নাকছাবি আর নূপুর নিয়ে গান বানিয়ে__ মেলায় মেলায় বাউল হয়ে ঘুরে বেড়াবো... মনে থাকবে? আর যা কিছু হই বা না হই পরের জন্মে তিতাস হবো দোল মঞ্চের আবীর হবো শিউলিতলার দুর্বো হবো শরৎকালের আকাশ দেখার__ অনন্তনীল সকাল হবো; এসব কিছু হই বা না হই তোমার প্রথম প...

চলৎ চলৎ

চলৎ চলৎ চলৎ চলৎ আজিম আকাশ চলৎ চলৎ চরণ তব চপলা যখন চন্দ্রালোকে ভরে মন ঐ রূপ দর্শন; দুরু দুরু করে মন শুধু আনচান মিটে না পিয়াস তবুও কিছুতেই শত দর্শনে ঐ অনিন্দ্য চাঁদবদন। চাতক পাখির মত সুদূরে দৃষ্টি রয় তোমার চলন যেন স্মৃতির শ্মশাণ; যেন তোমার চরণ ধূলি হৃদয়ের  কাঙ্খিত কোন চাতাল উঠান। চক্রবত পৃথিবীর মেঠো পথ বাঁকে বেশামাল লাগে তোমার ঠমক; চলনে তোমার কি যে কারুকাজ  বিমোহিত আঁখিতে ইন্দ্রজালের  মত লাগে অজানা-অচেনা চমক। চন্দ্রাংশ, চন্দ্রতাপ, কত চাঁদোয়া  তোমার চরণে খায় লুটোপুটি; যেন আলতা রাঙ্গা দু’টি চরণ চিরকাল আঁধারকে পেরিয়ে কেবলই আলোর পথে ছুটোছুটি। তোমার ক্লান্তিহীন ছুটে চলা  মোর হৃদয়কে করে স্বপ্নাক্রান্ত; চেয়ে দেখ একবার পিছু ফিরে কতটা ব্যাকুল হয়ে অধীর চিত্তে তব প্রেমের তৃষায় কতটা ক্লান্ত। টঙ্গিবাড়ি, মুন্সীগঞ্জ